Posts

Showing posts from June, 2026

11183>|| শুভ 'ফাদার্স ডে' ||

   11183>|| শুভ 'ফাদার্স ডে' || বাবার আদর্শে সন্তানের বোধ, জীবনে প্রকৃত পথের মূল্যবোধ। নিত্য নুতন আগ্রহ ও সৃজনশীলতা, জীবন গড়ে ওঠার প্রকৃত সত্য ক্ষমতা। পিতা যে সন্তানের পথের দিশারী, সেই সন্তান অনেক জীবন গড়ার বিশ্বাসী। যে সন্তান কেবল নিজের চিন্তায় জীবন গড়ে, সে কি বহু জীবনের পথের দিশারী হতে  পারে? যে জীবন পরের তরে সেই জীবন সদা মুক্ত তিনকাল, জীবনের মূল্য বোধে পিতার অবদান অমূল্য রতন চিরকাল।   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->       21/06/2026 :: 11:30 am =====================

11182>|| নীরবতা ||

   11182>|| নীরবতা ||   <--আদ্যনাথ---> নীরবতাই শ্রেষ্ঠ পন্থা। নীরবতাই অনেক বলা কথা। নীরবতা জীবনকে শেখায় সহিষ্ণুতা, নীরবতাই  নীরব অশ্রুর সত্যতা। নীরবতা এক কঠিন পরীক্ষা, ধৈর্য্যই বুঝি তার সহমর্মিতা। চুপ থাকাই নীরবতা নয়, নীরবতা এক সাধনা নিশ্চয়।      নীরবতা কেবল বাক্‌হীনতা নয়,  এক মনঃসংযমী গভীর সাধনা, যে সাধনায় মনকে শান্ত করে, আত্ম-উপলব্ধির পথ প্রশস্ত করে। সাধক নিজসত্তাকে খুঁজেপায়, প্রকৃত মানুষ হিসাবে নিজেকে খুঁজেপায়, মানুষ প্রকৃত মানুষে পরিবর্তিত হয়, মনুষ্য সত্তার প্রকৃত রূপ প্রকাশ পায়।     <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> =======================  

11181>|| বর্মন দার স্বরণে ||

 11181>|| বর্মন দার স্বরণে  ||               <--আদ্যনাথ--> || বর্মন দার স্বরণে  ||               <--আদ্যনাথ--> এই মাত্র খবর পেলাম, আজ বর্মন দা গেছেন অমৃতের পথে, চির সত্য, অমৃতের খোঁজে, ওনার বিদেহী আত্মা ঈশ্বরের স্নেহে, সুন্দর মনোরম শান্ত প্রকৃতির মাঝে। আত্মার স্থান সকলের হৃদয় মাঝে, চির সুন্দর রূপ রস প্রশান্তির মাঝে, মন আছে যার সেইতো হৃদয় খোঁজে, দ্বাদশ-দল-পদ্ম অনাহত চক্র মাঝে।  ক্ষমা প্রার্থনা, দুঃখে দুফোটা চোখের জল। ও সকলই ভালবাসার তাৎক্ষণিক ফল, আসল হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের বিচ্ছেদে, তার প্রকাশ কি সম্ভব দুইচার লাইন কিছু লিখে! জানিনা বুঝিনা আমার ক্ষুদ্র চেতনায়, সকল যেন গুলিয়ে যাচ্ছে এহেন ভাবনায়। তবুও ভুলতে পারবোনা বর্মন দাকে, উনি যে আছেন আমার হৃদয়ের একান্ত মণিকোঠাতে। তবুও দুফোটা অশ্রু ঝরে গেল নীরবে, বলে গেল অনেক কথা একান্ত নীরবে। চোখ তো আত্মারই প্রতিচ্ছবি সত্য, ফুটিয়ে তোলে প্রানের সবটুকু তথ্য। মন ভারাক্রান্ত বর্মন দাকে হারিয়ে, স্মৃতি গুলি আছে হৃদয়ে জড়িয়ে। নমে প্রাণে সেই ভাবনার আদর করি, ওনার...

11180>|| একাকীত্ব ||

     11180>|| একাকীত্ব ||       <---আদ্যনাথ ---> একাকীত্ব জীবনের এক অদ্ভুত সময়, বুঝেছি অসৎ সঙ্গ থেকে একাকীত্ব শ্রেয় হয়। একাকীত্ব ও নিঃসঙ্গতা জীবনের অঙ্গ, যেন পৃথিবীতে আসা যাওয়া কেউ দেয়না সঙ্গ। একাকীত্ব জীবনের এক আয়না, দুঃখ নয়, যা জীবনের প্রতিফলন দেখায়। জীবনকে চিনতে শেখায়,শান্ত করে, নিজের সাথেই জীবন নিজে কথা কয়, জীবন এভাবেই জীবনকে খুঁজে পায়। কখনো হয়তো প্রয়োজন নিজেকে জানতে নিজেকে একটু পর্যালোচনা করতে, অনেক ভিড়ে নিজেকে আবিষ্কার করতে, একাকীত্ব হয়তো সময়ে সৃজনশীলতা, কিন্তু একাকীত্ব দীর্ঘায়িত হলে মানসিক  অবসাদের কারণ হলেও হতে পারে। একাকিত্বে কথা বলা নয় শুনতেই ভালো লাগে। একাকিত্বে নিজের সাথেই নিজে কথা বলা একাকিত্বে থাকেনা রেষারেষি,দ্বন্দ্ব, এক কোলাহল মুক্ত ঢেউ বিহীন শান্ত নীর, আত্ম-প্রতিফলনশীল মানসিক চাপহীন জীবন।  আত্মশুদ্ধির পথ করে সুগম । প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো সময়, আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিগত উৎকর্ষ সাধনে সহায়ক হয়।    <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->        04/06/2026::রাত্রি 8:20 মিনিট =======================

11179> || ভ্রমন এক নেশা ||+ (1--9)

 126/ 1>  || ভ্রমন এক নেশা ||+ (1--9)   ●2> || ভ্রমণ এক অহঙ্কার ||   ●3>  ||  ভ্রমণের স্মৃতি ||   ●4> || প্রকৃতি সুন্দর রঙিন খোলাবই ||   ●5>| সুখের সন্ধানে ভ্রমণ ||    ●6>|| ভ্রমণের নেশা ||     ●7>|| প্রকৃতির সাথে ||      ●8>|| ভ্রমন পিপাসা ||        ●9>|| ভ্রমণ মনের এক টনিক || ========================       1>|| ভ্রমন এক নেশা ||          <---আদ্যনাথ----> ভ্রমন এমন এক নেশা, যে নেশা দেখায় নুতন দিশা। মনের অতৃপ্ত বাসনার মাঝে, একটু তৃপ্তি খুঁজে পাওয়ার আশে। ভ্রমণে ক্রমে বাড়ন্ত উদ্দীপনার সৃষ্টি, ভ্রমণেই ক্রমে বাড়ে প্রাণশক্তি। ভ্রমণের স্মৃতি অবসর জীবন যাপনে, বুক ভরে থাকে একান্ত আপনে। ভ্রমন অবসর জীবনে শক্তির উৎস, নুতন ভাবনা আর প্রকৃতির স্পর্শ। শান্ত মনে জাগায় নুতন শক্তি, বৃদ্ধবয়সে উৎকৃষ্ট ঔষধি ও মনের শক্তি। ভ্রমণ অনেক অচেনাকে চেনায়, বয়সের ভারকে ভুলতে শেখায়। সাথে সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতা শেখায়, চলার পথে বন্ধুকে চিনতে শেখায়। ভ্রমণ জ...

11178>|| আনন্দ কর-রে মন ||

  11178>||  আনন্দ কর-রে মন ||        <---আদ্যনাথ---> জীবন প্রকৃতির সহায় নিজেই গতিময়, সুন্দর, অসুন্দর নিজের ভাবনায়, যেমন কর্ম তেমনি প্রাপ্তি প্রকৃতির নীতি, সুন্দর কর্ম ও ভাবনায়এগিয়ে চলাই জীবনের গতি।   জীবনে চলার পথে নিজের শান্তি নিজে খুঁজে নিতে হয় আর তার জন্য--- কে দোষারোপ করলো, কে সমালোচনা করলো, কে অপবাদ দিলো, কে ঘৃনা করলো, কে ছেড়ে গেলো, কে অবহেলা করলো, এ সব বৃথা ভাবনা ভাবার সময় কোথায়! আর তাই দুর্ভাবনা কে এড়িয়ে চলা, জীবনকে উপভোগ করতে এগিয়ে চলা। আনন্দ কর-রে মন আনন্দে রহো, ক্ষনিকের দুর্ভাবনায় কেন দুঃখ করো। জীবন ক্ষনিকের ভাবনা অসীম, আনন্দ করো চিন্তা অনন্ত অসীম। সব চিন্তার ভার দিয়ে দেও চিন্তামনিকে, চিন্তা মনিই চিন্তা করবে কখন ডাকবে কাকে। সেই ডাকের অপেক্ষায় না থেকে, আনন্দ করো মন ভাবনা দূরে রেখে।   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->       02/06/2026::--05:20 am =======================            

11177>|| শেষের পরে ||

   11177>|| শেষের পরে ||            <---আদ্যনাথ--->   শেষের পরে -- শেষের পরে এক অহেতুক চিন্তায়, জীবন বুঝি হাসিটুকুও হারায়। জীবন তো জীবনের জন্য, নিজের চিন্তায় ব্যর্থ সময় বয়ে যায়। কত দেখা না দেখা হাসি কান্না, কত না বলা কথা, কত শুনেও না শোনার ভান করা, কত দেখেও না দেখা। তবুও শেষের সত্যকে তো মনতেই হবে, কিছু সত্য বুঝেও নীরব থাকতে হবে, কখনো নীরবতা ভাঙলেই জীবনে হাঁ হাঁ কারই রয়েজবে। আমার শরীরটা এমন মজবুত করে  বাঁধেছ নেক ! আমি অঙ্গীকার করছি যে আমি আর ফিরে আসবো না। তোমরা কাঁদছো আমার লাশ দেখে, আমি উঠে বসলেই তোমার পালাবে। হঠাৎ সেদিন সকালে দেখি  সেকি ভীষণ কান্নার রোল, সকলের মুখে এক বোল কেন চলে গেলে রাতের অন্ধকারে। বার বার তো বলতাম  বাথরুমে যাবে সাবধানে তুমি শোননি আমার কথা, আজ অঘটন ঘটিয়ে দিলে একা। ওদের  কান্নাকাটি চলছে অবিরাম, আমি তো ঠিক আছি সবকিছু দেখছি, এই তো শুয়ে আছি আরামে গভীর ঘুমে, আমাকে ঘরের বাইরে এনে রেখেছ। জানি তোমরা এই লাশ টা পুড়িয়ে দেবে, যাতে এই শরীরটা আর ফিরতে না পারে, তবে ওই চোখের জল কেন কি কারণ, তোমাদের সামনে আমার আ...

11176>|| মুক্তির স্বাদ ||

   11176>|| মুক্তির স্বাদ ||            <---আদ্যনাথ---> মুক্তি মুক্তি মুক্তি কোথায়, মুক্তি পেতে নিজেকে বিলিয়ে দিতে হয়। মানুষ হলেই মনুষ্যত্ব লাভ হয় না, মনুষ্যত্ব লাভের সাধনা প্রয়োজন। মনুষত্বের সাধনা জীবনের চরম সাধনা, বিদ্যা, ধন, মান,সম্মান,এগুলি সহায়ক মাত্র, চরম লক্ষ্যে পৌঁছনোই কষ্ট সাধ্য হয়। মানুষ হয়েও যে কেবল নিজস্বৰ্থ খোঁজে, সে প্রকৃত জীবনের স্বাদ কিভাবে পাবে। অন্যের হিতে নিজেকে বিলিয়ে  দেওয়ার  মাঝেই প্রকৃত মুক্তির স্বাদ নিহিত আছে। পাখি হালকা তাই আকাশে উড়তে পারে, তেমনি বিবেক বুদ্ধি চেতনায় ঊর্ধ গতি হয়। লোভ,হিংসা,ক্রোধ,অহঙ্কার বোধ, থেকে দূরে থাকতে হয়। এই সকল ত্যাগ করেই হালকা হতে হয়। যতই হাল্কা হওয়া যায় ততই ঊর্ধ্ব আকাশ ছোঁয়া যায়, জীবনে যিনি সর্ব মুক্ত তিনিই শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তির স্বাদ জানেন। জীবন তো সুখ ও আনন্দ ময়,  কিন্তু প্রকৃত সুখের সন্ধান কত জন পায়। আধ্যাত্মিক চেতনা সর্বদা সুখের সন্ধান দেন, যে সুখ মানুষ কে মুক্তির উপায় দেখায়, তথাপি মানুষ আত্মঅহঙ্কারে মগ্ন রয়, যে অহঙ্কারে দুঃখ ও পতনের দিকে ধায়। শিব জ্ঞানে জীবের সেবা উৎকৃষ্ঠ স...

11175>|| একলা চলো রে ||

     11175>||  একলা চলো রে ||    <---আদ্যনাথ---->   হে পথিক দুঃখ কেন করো,  যেনো দুঃখ ছাড়া মহৎ কাজ হয়না বড়।  কি নিয়ে এসেছ আর কি নিয়ে যাবে,  সকল কিছুই এই ধরায় রয়ে যাবে। আজ যা তোমার কাল তা অন্যের হবে, আজ যাতে আনন্দ কাল তাই দুঃখের কারণ হবে। এ ধরায় কেউ নয় আপন কেউ নয় পর, সকলেই সময়ের বন্ধনে মোহিত নজর। আছে আশা আকাঙ্খা লোভ লালসা, আছে মনে হিংসা, ভয়, রাগ, দুর্বলতা। এসেছি খালি হাত দুটি মুষ্টি বদ্ধ করে, যেতে হবে নিথর দুই হাত উন্মুক্ত করে। চুল চেরা ভাগ হবে রেখে যাওয়া সংসারে, বিদ্রুপ করবে সকলে কিছু না রেখে গেলে। তিলে তিলে গড়ে তোলা তোমার সংসার, মাটিতে মিশে যাবে তোমার  অহংকার। যতদিন ছিলে সঞ্চয়ে মন ছিল অধিক, নিজ হতে অপরের জন্য ভেবেছ অধিক। তোমার ইচ্ছা ছিলো আরো কিছুদিন বাঁচতে, যাদের জন্য ভাবা তারা বৎসর অন্তে মালা দেবে ছবিতে। তোমার শেষ ইচ্ছাও হলনা পূরণ সময়ের কারণ, সময় বড়ই নিষ্ঠুর থামেনা একক্ষণ। সমগ্র জগৎ চলছে সময় রূপ অমোঘ টানে, সময়ই শ্রেষ্ঠ বলবান এই বিশ্ব চরাচর মাঝে।    <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->         26/0...

11174>|| সুখের সন্ধানে ||

   11174>|| সুখের সন্ধানে ||      <--আদ্যনাথ--> অনেক ভাবনা,প্রতিজ্ঞা নিয়ে এগিয়েছি, জীবনে অনেক কিছু 'জয়' করেছি, জত জয় করেছি ততোই মোহিত হয়েছি, নিজেকে 'জয়' করতেই দিশেহারা হয়েছি। বুঝেছি নিজেকে 'জয়' করাই শ্রেষ্ঠ জয়, নিজেকে জয় করলেই জীবন আনন্দ ময়। নিজেকে জয় করতে পারলেই অনেক অসম্ভব সম্ভব হয়, সকল 'অজেয়' কাজকে জয় করা সম্ভব হয়। নিজের রাগ, ভয়, দুর্বলতাই গুলিই পথের বাঁধা, এ-হেন তিন অপগুনকে জয় করাই 'অজেয়' হওয়া। 'জয়'-ই-তো জীবনে সুখ ও আনন্দ আনে, শিক্ষায় সাফল্য, প্রতিযোগিতায় বিজয়,  'জয়' গুলি জীবনকে এগিয়ে নিয়ে চলে, জীবন সুন্দর ও বিকশিত হয়ে এগিয়ে চলে। 'জয়' জীবনে দেয় সাময়িক সুখ,   জয়ের পরে ত্যাগেই সর্বসুখ । বিজয় তাৎক্ষণিক সুখে মোহিত, ত্যাগের অন্তরে সর্বসুখ নিহিত।  'জয়'ও 'ত্যাগ' একে অপরকে পূর্ন করে   তাইতো একে অপরের পরিপূরক। 'ত্যাগ' ছাড়া কোনো মহৎ 'জয়' অসম্ভব, ত্যাগেই মুক্তি ও মোক্ষলাভ সম্ভব।   <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->     02/06/2026::7:40 am =======================