Posts

Showing posts from January, 2026

11147>|| আজ হোক হাসি নিয়ে কথা ||+3

 11147>|| আজ হোক হাসি নিয়ে কথা ||+3 যে হাসতে পারে, সে দুনিয়া জয় করতে পারে। হাসির সমান কোন অস্ত্র নাই দুনিয়াতে। হাসিই মনুষ্য জীবনে ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ দান। যে হাসতে পারে সে সব পারে। সব রোগ মুক্তির উৎকৃষ্ঠ  ঔষধ হাসি। যে পারেনা হাসতে তার জীবন যায় কাঁদতে কাঁদতে। পৃথিবীতে হাসি ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ দান।  <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----> ===================  2)|| একটু হাসির জন্য হাসি || তোমার আছে রূপ গুন তেমন নাই তবুও তোমাকেই রোজ দেখতে চাই। কিন্তু ভয়ানক তোমার ওই বাঁকা হাসি, যা দেখেই ইচ্ছে হয় গলায় দিতে ফাঁসি। মৃত্যুর পরেও ভূত হয়ে তুমি আছো তাই, আমি তোমাকে দেখেই সব ভুলে যাই। তোমায় ওই ভূতনীর বাঁকা হাসি, ভূতেরাও দিতে পারে ফাঁসি।     <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----> ======================      3) || হাসা মানেই ফাঁসা || হাসা মানেই ফাঁসা, এ ফাঁসা নয় সে ফাঁসা, এ ফাঁসার তিন অবস্থা খাসা, এক ফাঁসাতে জাহান্নাম দেখে আসা, আর এক ফাঁসাতে ঘাড় মটকে থাকা, শেষ ফাঁসাতেই কাঁদা, দেখে নিজের দশা। হাসার এমন ফর্দ আছে কি কিছু জানা, না জানলে জেনে নেবে গিয়ে জেল খানা, ভূতের জেল আর ...

11146> || পয়সায় কেরামত ||

 11146> || পয়সায় কেরামত ||           <---আদ্য নাথ-->  একটু ভেবে দেখো পয়সার কত নাম,  পয়সা নিজেই অপার, পয়সার মহিমা সকলে পাড়। মন্দিরে দিলে তাকে বলবে "চাঁদা/দক্ষিণা" স্কুলে দিলে সকলেই বলবে "ফীস", বিয়েতে দিলে যৌতুক ,অথবা বলবে "পণ" তালাক দিলেই বলবে "খোরপোশ", অন্যকাউকে দিলে  বলবে দিলাম "ধার", আদালতে দিতে হোলে বলবে "জরিমানা", সরকারকে বৎসরে বৎসরে দিলে"কর" সেবানিবৃতির বেলায় বলবেন "পেনশন"। অপহরণে দিতে হোলে দেবেন "ফিরতি", হোটেলে বেয়ারাকে দিলে বলবে "টিপস" আবার ব্যাংক থেকে নিলে বলবে "ঋণ", কর্মচারী কে দিলে পয়সায়ই হবে "বেতন", শ্রমিককে দিলে বলবেন"মজুরী", অবৈধ ভাবে  দিলে পয়সাই হবে "ঘুষ"। আদর করে দিলে পয়সা হবে  "গিফ্ট/দান" আমি পয়সা এক অমূল্য সম্পদ সময়ের সাথে বারে-কমে আমার দর। কেউ হয়তো বোঝে আমার কদর, যার কাছে থাকি সেই পায় সকলের আদর।        || আমার নাম পয়সা ||        <----আদ্যনাথ---> ভেবে দেখো আমার ক্ষমতা, মৃত্যুর পরে কেউ নিয়ে যেতে পারবেনা সা...

11145>|| ভাবনা গুলি ভাবায় ||

11145>|| ভাবনা গুলি ভাবায় ||        <---আদ্যনাথ ---> পুরুষের বয়স যত বাড়ে বন্ধু তার ততটাই কমে, শেষে নিজের জন যদি আগে চলে যায়, জানবে তার মতন  হতভাগা কেহ নয়। পৃথিবী সদাই আনন্দ ময় হয়, যতদিন তোমার কর্মক্ষমতা রয়। পুরুষ তুমি কর্মক্ষমতা হারালে, নিজ গৃহেও অবহেলিত হয়ে রবে। শরীরের নাম মহাশয়, যাহা সহাইবে তাহাই সয়। বাঁচতে হবে আনন্দে সর্বদা, নচেৎ জীবনটাই হয়ে যাবে বৃথা। এই জগৎ প্রকৃতি বড়ই সুন্দর, ঈশ্বরও সামর্থ্যবানের সহায়ক নিরন্তর। অলস, হতভাগার সহায় হয় না কেহই, নিজ স্বার্থে দুঃখের সহায় হয় না কেউ। ঈশ্বরের জন্য একনিষ্ঠ চিত্তে ভাবতে হবে, একান্তে তাঁর করুণা ভিক্ষা চাইতে হবে, একনিষ্ঠ মনে ত্যাগ ও সেবা করতে হবে, নচেৎ ক্ষনিকের জীবন দুর্বিষহ হয়ে রবে। অন্নময় শরীরে অন্নই শেষ কথা নয়, সীমিত অন্ন গ্রহণে শরীর সুস্থ সবল রয়। বৃদ্ধ বয়সেও স্বাস্থ্য, সচ্ছল, থাকা উচিত, নচেৎ নিজকর্ম দোষে অপরের অনুগ্রহে বাঁচা বড়ই কঠিন।      <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----> =======================

11144>||EMPTY

11144>||EMPTY       ============

11143>|| শুভ বিবাহ বার্ষিকী,11/12/25 সাম্য অন্তরা,

 11143>|| শুভ বিবাহ বার্ষিকী,11/12/25       সাম্য অন্তরা, জীবন ও নদী উভয়ের ইচ্ছা গতিময় হতে, নদ ও নদী বয়েচলে নিজ গতি পথে, জীবনও এগিয়ে চলে করে পথ অন্বেষণ, সুন্দর দুটি জীবনের  মিলন বিবাহ বন্ধন। বিবাহ বার্ষিকী মানে সফল প্রতিজ্ঞা, একসাথে চলার কিছু সুন্দর অভিজ্ঞতা। জীবনকে সুন্দর করে গড়ার এক প্রতিজ্ঞা, যুগল জীবনে নুতন ভাবনার অভিজ্ঞতা। বৎসর তো ঘুরে আসবেই প্রকৃতির নিয়মে, জীবন তো এগিয়ে যাবেই নিজেদের কর্মে, কর্ম আর সময়ের শৃঙ্খল উভয় গতিময়। প্রকৃতির সাথে জীবনে অনেক শিখে নিতে হয়।  তোমারা 16টি বৎসর পারকরে এলে, নিজেদের সুন্দর নিপুণ কর্মবলে। ভাবনার নদী বয়ে চলেছে  নিজ নিজ আশা আকাঙ্খা  নিয়ে। ভাবনার নদী বয়ে চলেছে নিজের বেগে শুধু খেয়াল রেখো এ নদী,  যেন না হারায় জল কোন গভীর খাদে। চলার পথ জানি কঠিন, পথ অনেক গভীর ভঙ্গিল। তবুও চলতে হবে একসাথে, চলার পথে অনেক কথাই বাকি থাকে। কমতো নয় ষোলটি বৎসর, আরও বাকি আছে বহু বৎসর। একসাথে চলাইতো জীবন, স্মৃতির দূরের খুলে এগোতে হবে যখন। এ- চলার শেষ তো নাই , জানিনা কোন শ্রেষ্ঠ সুন্দর শিখরে, পরবর্তী জীবনকে কিছু শেখাবে। তোমাদের অক্লান্...

11142>কেউ বলে কেন পিকনিকে যাবো!

 11142>কেউ বলে কেন পিকনিকে যাবো! আম বলি সুখের সন্ধান পাবো,   তাইতো বলি চোখ বুলিয়ে নিন একবার কেমনে সুখের খোঁজ করবেন এবার-----       || সুখের সন্ধানে ||           <----আদ্যনাথ----> প্রকৃত সুখ মনের ভাবনাতেই সম্ভব হবে, সমাজে বাঁচতে হলে সুখ তো পেতেই হবে, ক্ষনিকের সুখ হয়তো দিতে পারে কোন গানের সুর, এক দিনের সুখ দিতে পারে মনোরম স্থানে  পিকনিকে বেরিয়ে পড়ে, মনরম ভ্রমণে 7/10 দিনের সুখ মিলতে পারে, দুইচার মাসের সুখ সম্ভব নুতন বিবাহ বন্ধনে, জীবন ভরের  সুখ দেবে সৎপথে প্রচুর অর্থ উপার্জনে।     ===================    ★★★★★★★★★★★★★★ ◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆         ■■■■■■■■■■ ওঁ সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ সর্বে ভদ্রাণী পশ্যন্তু মা কশ্চিদ দুঃখ ভাবভবেৎ।। হে ঈশ্বর, আমার সকল মিত্র বন্ধু ও পিরিচিত জন, সমস্ত পরিবার সহিত সকলকে সুখী করুন,নিরোগ  এবং শান্তি প্রদান করুন, কেউ যেন দুঃখ ভোগ লাভ না করে।।  ওঁ শান্তি, ওঁ শান্তি, ওঁ শান্তি।। ======================== আমি আর তুমি আছি সেটাই সত্য, যতদ...

11141>|| 2025 বিদায়ের পূর্বে ||

   11141>|| 2025 বিদায়ের পূর্বে || বিদায়ের মুহূর্ত আসন্ন প্রায়, বিদায়ের দিনে কেন এমন ম্লান দেখায়, 2025 সামলেছে অনেক ঝড় বোধহয়, তবুও আজ যেন বিষণ্ন দেখায়। অনেক কথাই বলেগেছে নিরালায়, চাওয়া পাওয়া নিয়েই ব্যস্ত সবাই, বিদায় বেলায় না পাওয়া যন্ত্রনা দুঃখ দেয়, কিন্তু যে আসছে তার পদধ্বনি শোনা যায়। আজ আনন্দ ও অশ্রু ভরা নয়নে, সকলের মন ভরুক খুশিতে থাকার নিমন্ত্রণে। আমি অধম, তবুও রইলো প্রার্থনা, যেন ভুলে যাই পুরাতন সকল যন্ত্রনা।   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->               30/12/2025 =======================

11140>|| হারিয়ে গেছে ||

11140>|| হারিয়ে গেছে ||                   <----আদ্যনাথ---> হারিয়ে গেছে, হারিয়ে গেছে, আমাদের সেই দিন হারিয়ে গেছে, যাঁরা শিখিয়ে ছিলেন, সদা সত্য কথা বলবে, সত্য পথে চলবে, গুরুজনে শ্রদ্ধা করবে, আজ সব হারিয়ে গেছে, আজ সবাই স্মার্ট হয়ে গেছে, সকলের হাতে বই নয় মোবাইল আছে, তাইতো সকলে ডিজিটাল হয়ে গেছে, কে আর নীতি শাস্ত্র মনে রেখেছে, আজ এ-আই সব নীতি জানান দিচ্ছে, আজ শিশুরাও হাঁপিয়ে উঠছে, সারাদিন মোবাইলে গেম খেলছে, খেলার মাঠ আজ মাল্টিস্টোরি কমপ্লেক্স, শিশুরাও দেখছে ওআটসআপ আর  রঙিন ফ্লেক্স--সেক্স, শিশুরা জানালায় বসে দেখছে সকাল সন্ধ্যা, প্রকৃতির পরশ, ওই মোবাইলেই দেখা। ওরা জানেনা বৃস্টি ভেজা আনন্দের দিন, ওরা জানেনা প্রকৃতির পরশ কেমন দিন, ওরা ভাবতে পারেনা খোলা মাঠে বৃষ্টি ভেজা দিন, ওরা ভাবতে পারেনা পাড়ার ঝিলে সাঁতার কাটার দিন, ওরা জানেনা ছিপে মাছ ধরা, কেমন সেদিন, ওরা জানেনা খোলা আকাশের নীচে কেমনে কাটে দিন। তবুও ওরা জানে, ওদের মোবাইল সব জানে, ওদের চিন্তা, বুদ্ধি, মোবাইলের এআই জ্ঞানে। সুদর এই প্রকৃতির ছোঁয়া পেতে ছুটতে হয় প্রকৃতির মাঝে, একাত্ম হয়ে ম...

11139>|| তুমি চির নুতন ||

11139>|| তুমি চির নুতন ||     <---আদ্য নাথ--> হে নুতন বৎসর তুমি চির নুতন, তাইতো তোমার আদর মনের মতন, তোমার মান্যতা তুমি ইংরেজি বৎসর, তবুও তোমাকেই তো মানি সারা বৎসর। বর্ষবরণের দিনে তোমাকে মনে পড়ে, তোমার  হাসি যেনঅনেক কথা বলে, সেদিন কিছু না বলেও কাছে ছিল বলে বুঝে ছিলাম প্রেম কাকে বলে। আজ আবার বর্ষবরণ গভীর রাতে, কালের নিয়মে সময় পাল্টেছে বটে, কিছু বলার ছিল কিছু হারিয়ে গেছে, হাসিমাখা চোখের ভাষা অমলিন আছে। হাতে হাত রেখে আউটট্রাম ঘাটে, নুতন বৎসরের সন্ধ্যা তারাদের সাথে, গঙ্গার স্নিগ্ধ হাওয়ায় কত গল্প,কথার ছলে, অনেক হারিয়েও আজও মনে আছে। তোমার প্রেম ভোলা অসম্ভব হে নুতন বৎসর, তুমি আবার এলে অনেক প্রতীক্ষার পর, আসা যাওয়া সেতো প্রকৃতির খেলা, নুতন বৎসর তোমাকে যায়কি ভোলা। তাইতো মেতেছি আমরা বর্ষবরণে, মনের উল্লাস সবটুকু যাক না ফুরিয়ে, অনের দুঃখ ভুলেছি নূতনের আনন্দে, হয়তো কিছু অপূর্ন থেকে যাবে জীবনে। আবার নুতন করে বাঁচা নূতনকে নিয়ে, এভাবেই জীবন বোধ হয় এগিয়ে চলে, যা আছে তাকে নিয়েই তুষ্ট থাকা উচিত, যা গেছে হারিয়ে, তাকে ভোলাই উচিত।   <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->   ...

11138>|| নিঃসঙ্গ মন ||

11138>|| নিঃসঙ্গ মন ||       <----আদ্যনাথ----> এতো স্বার্থপরতার মাঝে, ভালোবাসাটাই হারিয়ে গেছে। কখনো নিজেকেই সমাজবদ্ধ মানুষ ভাবতে ভুল হচ্ছে, কখনো ঈশ্বর বিশ্বাসেও মনে অবিশ্বাস হচ্ছে। কখনো নিজেকে সর্বহারা একাকী নিঃসঙ্গ মনে হয়, তখন যন্ত্রণাই যেন একমাত্র সাথী হয়, আর সেই যন্ত্রণাতেই খুঁজে পাই এক সুখ,  সব হারিয়ে নিঃস্ব হবার সুখ। তখনই মনে হয় আপন থেকে পর ভালো, পর থেকে জঙ্গল ভালো, আর এই নিঃসঙ্গ জীবনটাই ভালো, আসলে আমরা শরীরটা নিয়েই বেশি ভাবি,  যা কিনা নশ্বর, আর যা অবিনশ্বর তার ভাবনার সময় কোথায়। এত ভাবনা চিন্তা ,  এত ভাব ভালোবাসা, এত আদর, সমাদর, এত আশা, নিরাশা, এ সবই কি ভ্রান্ত চিন্তা মাত্র। জানিনা কোন মায়া বলে, কোন আশার ছলে, চলে যেতে মন চায় দূরে, বহু দূরে, নিরালায় সাগর পারে, সমুদ্রের গর্জন, পাহাড়ের দৃঢ়তা, নীল আকাশের স্নিগ্ধতা,  মনকে ভীষণ ভাবে টানে।   <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ======================  

11137>|| শুভ কল্পতরু দিবস 2026 ।

11137>|| শুভ কল্পতরু দিবস 2026 ।    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেব 1886 সালের জানুয়ারির প্রথম দিনে কল্পতরু হয়ে ছিলেন জগতের কল্যাণের জন্য। এদিন তাঁর কাছে যে যা প্রার্থনা করেছিলেন, ঠাকুর সকলের সব মনোবাসনা পূর্ন করেছিলেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেব কে স্বয়ং নারায়ণের অবতার বলে মনে করতেন তাঁর ভক্তরা। 1886 র পয়লা জানুয়ারি তে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেব তাঁর অবতার রূপ প্রকাশ করেছিলেন।  সেই কারণেই জানুয়ারির প্রথম দিনকে কল্পতরু দিবস হিসাবে মান্যতা দেওয়া।   আজকের কল্পতরু দিবসে শ্রী ঠাকুরের ইচ্ছায় সমলের মনবাসনা পূর্ন হোক। হে নুতন বৎসর 2026 যেন মুধুমাখা হৃদয়ের স্পন্দন, কত স্বপ্ন দেখা গল্পের মতন, বার বার তোমাকে করেছি স্বরণ। আজ তুমি কত সুন্দর, অপূর্ব শীতল তোমার পরশ, প্রভাতের শিশিরের শিহরণ, শীতমাখা উষ্ণতাই হৃদয়ের যতন। আজ তুমি কত সুন্দর, হৃদয় উজাড় করা শীতল পরশ, নানা রূপ,গন্ধে ভরপুর নুতন বৎসর, তোমার শীতল পরশে অনুভব করি হরষ।     <------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->       01/01/2026::--সকাল 6:30 am ========================      || শুভ কল্পতরু দিবস || আস...

11136>|| ৺দিবাকর দাস দার স্মরণ সভা ||

11136>||  ৺দিবাকর দাস দার স্মরণ সভা ||                             SV2--3/2D.     <----আদ্যনাথ------> ওঁ স্থাপকায় চ ধর্মস্য সর্বধর্মস্বরুপিণে। অবতারবরিষ্ঠায় রামকৃষ্ণায় তে নমঃ।। ওঁ নমঃ শ্রীভগবতে রামকৃষ্ণায় নমো নমঃ। ওঁ নমঃ শ্রীভগবতে রামকৃষ্ণায় নমো নমঃ। ওঁ নমঃ শ্রীভগবতে রামকৃষ্ণায় নমো নমঃ। জাতস্য হি ধ্রুবো মৃত্যুর্ধ্রুবং জন্ম মৃতস্য চ । তস্মাদপরিহার্যেঽর্থে ন ত্বং শোচিতুমর্হসি ॥          গীতা ২/২৭ অর্থাৎ---,যিনি জন্মেছেন তার মৃত্যু অনিবার্য, এবং যিনি মৃত্যুবরণ করেছেন তার জন্মও নিশ্চিত।। তাই এই অনিবার্য বিষয়ে তোমার শোক করা উচিত নয়। কিন্তু আজ 13 জানুয়ারি 2026 মঙ্গলবার। আমাদের অতি প্রিয় ৺দিবাকর দাস দার স্মরণে তাঁর বিদেহী আত্মার প্রতি  শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করতে এখানে মিলিত হয়েছি। দাসদা তাঁর কর্মনিষ্ঠ জীবনে নানান দিগ থেকে আমাদের এই শ্যামবিহার ফেজ 2 এর সকলের হৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন, এবং সকলের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে গিয়েছেন। আমার ভাবনা ও চিন্তায় ৺দাসদার মতন এমন কর্ম যোগীএকনিষ...