11147>|| আজ হোক হাসি নিয়ে কথা ||+3

 11147>|| আজ হোক হাসি নিয়ে কথা ||+3

যে হাসতে পারে,

সে দুনিয়া জয় করতে পারে।

হাসির সমান কোন অস্ত্র নাই দুনিয়াতে।

হাসিই মনুষ্য জীবনে ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ দান।

যে হাসতে পারে সে সব পারে।

সব রোগ মুক্তির উৎকৃষ্ঠ  ঔষধ হাসি।

যে পারেনা হাসতে তার জীবন যায় কাঁদতে কাঁদতে।

পৃথিবীতে হাসি ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ দান।

 <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->


===================


 2)|| একটু হাসির জন্য হাসি ||

তোমার আছে রূপ গুন তেমন নাই

তবুও তোমাকেই রোজ দেখতে চাই।

কিন্তু ভয়ানক তোমার ওই বাঁকা হাসি,

যা দেখেই ইচ্ছে হয় গলায় দিতে ফাঁসি।

মৃত্যুর পরেও ভূত হয়ে তুমি আছো তাই,

আমি তোমাকে দেখেই সব ভুলে যাই।

তোমায় ওই ভূতনীর বাঁকা হাসি,

ভূতেরাও দিতে পারে ফাঁসি।

    <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

======================

     3) || হাসা মানেই ফাঁসা ||


হাসা মানেই ফাঁসা,

এ ফাঁসা নয় সে ফাঁসা,

এ ফাঁসার তিন অবস্থা খাসা,

এক ফাঁসাতে জাহান্নাম দেখে আসা,

আর এক ফাঁসাতে ঘাড় মটকে থাকা,

শেষ ফাঁসাতেই কাঁদা, দেখে নিজের দশা।


হাসার এমন ফর্দ আছে কি কিছু জানা,

না জানলে জেনে নেবে গিয়ে জেল খানা,

ভূতের জেল আর মানুষের জেলে ফারাক   কি কিছু বোঝো?

ফারক বুঝতে হাটতে হবে নাক বরাবর সোজা।


যদি চাও বাঁচতে হাসার আগে হবে একটু ভাবতে।

নচেৎ দুঃখ কি আর গেছে ফলে জানতে,

জানার কোথাও ভুলতে হবে কিছু কিছু বলতে,

বলা আর দেখাশোনা হাসা কিন্তু মানা।

  <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

======================

     4)|| হাসতে হাসতেই ক্লান্ত ||

অনেক বললাম হাসি নিয়ে কথা,

হাসিই যেন জীবনের রূপ কথা,

 হাসির জোয়ার ফাটবে যখন

 দুনিয়া আন্ধকার লাগবে তখন।


হাসির আছে নানান প্রকার ভেদ,

হাসির জন্য করা উচিত নয় জেদ,

জেদ করলেই ফস্কাবে হাসি,

এদিও ওদিক হলেই ফোকলা হাসি।


ফোকলা হাসির কেরামত ভারী,

দাঁত খুঁজতে চুলকাবে দাড়ি।

দাড়িরও আছে হরেক নাম যে ভারি,

দাড়ি খুঁজতে নাপিতের ভাতের হাঁড়ি।


নাপিত খোজাই ভারি মুস্কিল,

সব নাপিত বিউটি পার্লারের স্কিল,

তাই বুঝি হেথায় হোথায় গড়ছে পার্লার,

গ্রাম গঞ্জে গেলেই পাবে দাড়ির পার্লার।


সেদিন গিয়েছিলাম গোপাল গঞ্জে চাচা,

সেখানে দেখি গোপাল মোড়লের  দাড়ি চাছা,

ব্যাপারটা কেমন যেন অদ্ভুতুড়ে,

জাল ফেলেছে মাঝ পুকুরে।


হাসির কথা  উঠলো যখন,

জানতে হবে পবন খুড়ো আছেন কেমন।

পবন খুড়োর মাছের কারবার,

তিনি নাকি দাড়ি কাটেন দিনে তিন বার।


তাইতো ব্যাপার-সেপার বোঝাই ভার,

দাড়িরও আছে অনেক কারবার।

দাড়ি দেখবে যাও ভোম্বল চাচার,

সে ধরলে পথ পাবেনা নিজে বাঁচার।


হাসির কথা বলতে গিয়ে 

দাড়িনিয়ে কি কথা চলে।

দাড়ি আর দাঁড়ি ফারাক বোঝো জানি,

চন্দ্রবিন্দু দিলেই শেষ না দিলে গালে পাবে জানি।


আজকে আমিও দিলাম দাঁড়ি,

ভুলকরে কেউ চুলকিওনা দাড়ি।

ভোজ বাজির খেলায় উঠছে হাসির রোল,

এবার হাসির সাথে চলুক চিকেন কাবাব রোল।

  <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

======================








Comments

Popular posts from this blog

1118>|| ভূত চতুর্দশী/ নরক চতুর্দশী ||

1117>|| কার্তিক অমাবস্যা ||