Posts

Showing posts from December, 2025

11135>|| ভোগ আর ত্যাগ:-||

   11135>|| ভোগ আর ত্যাগ:-||        <---আদ্যনাথ---> ভোগে দুঃখ, ত্যাগে আনন্দ। সংসারে আনন্দে থাকতে হলে ত্যাগ করতে জানতে হবে। কিছু বিয়োগ না করলে যোগ কি করে হবে। সংসারের নানা অপকর্মে, বৃথা বাজে কর্মে, অন্যায়, অনাচার, হিংসা, রাগে পরিপূর্ণ জীবন কলস। তা খালি না হলে আনন্দ থাকবে কোথায়! আনন্দ থাকার জন্য জাগা তো চাই। সেই কারণেই ত্যাগ করতে হবে, ত্যাগ করতে পারলেই আনন্দ পাওয়া যাবে। ভোগে নষ্ট যোগ, ত্যাগে আনন্দ যোগ। আর প্রকৃত আনন্দ লাভের সহজ উপায় হলো  সংসারসুখে জলাঞ্জলি দিয়ে ক্ষণিক আনন্দের মায়া ত্যাগ করে ঈশ্বরে ষোল আনা মন দিতে হবে। ঠাকুর ও মা য়ের চরণে  মন যত বেশি যাবে, আনন্দ তত বেশি হবে। আর সংসারের দিকে, ভোগের দিকে মন যত বেশি যাবে ততই দুঃখকষ্ট বেশি হবে।    <---আদ্য নাথ রায় চৌধুরী----> ======================

11134>|| শীত পড়েছে তাই গুড়ের খোঁজে ||

     11134>|| শীত পড়েছে তাই গুড়ের খোঁজে || শীত শুরু হলেই মনেপরে গুড়ের কথা, ভালো গুড়ের সন্ধে ঘুড়ি হেথা হোথা। তেমন মনের মতন গুড় পাইকোথা, পশ্চিমবঙ্গের সেরা গুড়ের হাট যেথা। হ্যাঁ সত্যি বলছি সেরা ও একমাত্র গুড়ের মার্কেট, মাজদিয়া ঘুড়ের মার্কেট / হাট। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন গুড়ের হাট — মাজদিয়া গুড় মার্কেট। শীত এলেই বাঙালির ঘরে ঘরে পিঠে–পুলি, নলেন গুড়ের রসগোল্লা, পায়েশ—সব কিছুর জন্য অতি প্রয়োজন প্রাণশক্তি  একটাই, খাঁটি গুড়। কিন্তু আজকের দিনে আসল গুড় খুঁজে পাওয়া যেন সত্যিই সোনার হরিণ! অথবা কস্তুরী মৃগ বললেও ভুল হবে না। তবে এই সমস্যার একমাত্র ভরসা—দেড়শো বছরের ঐতিহ্যবাহী মাজদিয়া গুড় মার্কেট, যা পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের অন্যতম বৃহৎ গুড়ের হাট। হাটে ঢুকলেই চোখে পড়বে চারদিকে শুধু গুড় আর গুড় যেন গুড়ের পাহাড়, মিষ্টি গন্ধ আর ক্রেতা ও বিক্রেতাদের  উপচে পড়া ভিড়। এখানে ₹100/-টাকা থেকে শুরু করে ₹400/--–₹500/- পর্যন্ত নানা মান ও দামের গুড় পাওয়া যায়। এখানে দেখবেন নানান ভাবে নিজের হাতে গুড় পরীক্ষা করার সুযোগও রয়েছে। এমন কি যদি চান তো খাঁটি খেজুরের রসও পেয়ে যাবেন ...

11133>|| গুরু ভজ মন ||

      11133>|| গুরু ভজ মন ||      <---আদ্য নাথ---> দেহ খন্ডে ১৪ পোয়ার মজা, তার ভিতরে সজাগ দশটি দরজা, সেই দরজার নয়টি খোলা,  একটির আবার চাবি খোঁজা। গোপন একটি তালা আছে, সেই তলার চাবি থাকে গুরুর কাছে। বুঝলে সহজেই আনন্দে বিভোর হবে, না বুঝলে কলুর বলদ যেন ঘনিতে ঘোরে। আসলে সার কথাটি জানতে হবে, ভেবে চিন্তে গুরু বেছে নিতে হবে। গুরুর কৃপায় মনবাসনা পূর্ন হবে, নইলে এই ব্রহ্মাণ্ডে ঘুরে ঘুরে মরতে হবে।    বিঃদ্রঃ::---- দেহ খন্ড ১৪ পোয়া::---- আমাদের দেহে আছে,৭ আকাশ( সপ্ত আকাশ) এবং ৭ জমিন (সপ্ত ভূমি) । এই ৭ আকাশ আর ৭ ভূমি মিলে হলো ১৪ তলা বা ১৪ পোয়া। দেহে নালা ১০ টি। সেই ১০টি নালা হলো - দুই কান, দুই নাক, দুই চোখ ,একটি মুখ, পায়ুপথ একটি, লিঙ্গ একটি। মোটা ৯ টি,আর বাকি যে ১ টি নালা সেটি হলো জ্ঞান।  যা মাথার তালুতে থাকে। সেখানে একটি গোপন তালা লাগানো থাকে। গুরুর কাছ থেকে দীক্ষা নিতে হয় সেই গোপন তালার চাবির সন্ধানের জন্য। জ্ঞান অর্জন করে সেই  তালা খুলতে হয়। 'মানব শরীর ১৪ পোয়া' বলতে দেহের বিভিন্ন স্তর, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, বা আধ্যাত্মিক শক্তিকে ইঙ্গিত করা...

11132>|| পিকনিক পিকনিক (1--22)

11132>|| পিকনিক পিকনিক(1--22) 1>|| SV2 সিনিয়র পিকনিক 2026 || 2>|| পিকনিক পিকনিক 3>|| আমাদের পিক নিক ||---(2026) 4>||হাটীমাটিম আমরা বুড়োদের টিম, 5>|| আমাদের 2026 এর পিকনিক 6>|| অমিয় বনভোজ ||   7>|| পিকনিক |   8>||-চরৈবেতি-চরৈবেতি(1)।।-   9>|| चरैवेति-चरैवेति (2)||   10> চরৈবেতি, চরৈবেতি,(3)    11>আমাদের চড়ুইভাতি 2018   12>পিকনিক সহ কোলকাতা দর্শন।   13>আমাদের পিকনিক 2018   14>আমাদের বন ভোজের ভাবনা।                                           2025   15>SV2 সিনিয়র দের বনভোজন                2025.   16>আগামিকাল আমাদের পিকনিক             ...

11131>|| পবন খুড়োর ইতিকথা ||

    11131>|| পবন খুড়োর ইতিকথা  ||            <----আদ্যনাথ-----> আমাদের পবন খুড়ো ভালো বসেন মাছের মুড়ো, আশি পারহলেও ওনাকে বলোনা বুড়ো, বুড়ো বললেই চড়বে ওনার মাথার ব্যামো, তার পরে এক ভয়ংকর ব্যাপার জেনো। পবন খুড়ো যদি গান গায় মনের আনন্দে, সেই গান যদি  চলে সকাল থেকে সন্ধ্যে। ফোকলা দাঁতে গানতো নয়, হওয়ার বেগ প্রচন্ড হয়, সেই বেগ টাইফুন,টরনেডো কে হার মানায়। সেদিন সন্ধ্যায় গাইছিলো গান ছন্দ জুড়ে, পাশের বাড়ির বিয়ের প্যান্ডেল খানাই গেল উড়ে। সবাই বলে থামো থামো ওগো খুড়ো, না হলে পালাবে গ্রামের সব গরু বাছুর গুলো। শেষে খেত বাড়ি সহ হলে উজাড়, কোনমন্ত্রে কি ভাবে তার হবে উদ্ধার। পবন খুড়োর নামাডাক আছে ভারী, একসময় ছিলেন গানের ওস্তাদ ভারী। গান গেয়ে দুইচারখানা পেয়েছে মেডেল, তাঁর  দরজায় আঁটা আছে সেই লেবেল। নিজের খরচে বানিয়ে পেন্ডেল নিজেই গাইতো গান, (গানের গুঁতোয় ) গ্রামের মানুষের হতো রাত্রি জাগোয়ান। এমন গায়ক দেখেনি কেউ ভূভারতে, মান্যি গন্যি ছিযেন নাকি গানের জগতে। ঢিলের চোটে দাঁত ভেঙেছে খয়রা পুরের জলসাতে, তার পর থেকেই কেউ পারেনা  তাকে সামলাতে। অনেক ...

11130>| এস.আই. আর-এর ধাক্কা ||

       11130|| এস.আই. আর-এর ধাক্কা  ||          <----আদ্যনাথ----> এই যে ভাই কেন ভাবনা এতো,  লাগলো কী 'এস আই আর', এর গুতো, এক গুঁতোতেই ওষ্ঠাগত, ফর্মের প্রশ্ন গুলি ভেবে লেখো। বিজ্ঞের মতন ভাবনা বুঝি দিনের শেষে হাঁপিয়ে উঠি। ফর্ম পূরণে মাথা ব্যাথা, দেখে শুনেও বুঝিনি ফর্মের মুন্ডু মাথা। কোনমতে ফর্ম দিয়ে জমা, ভেবে মরি, এটা কি, পড়লো জমা। নামটা থাকবে কিনা কে বলবে, যেমন নাচায় তেমনি নাচতে হবে। এতো দৌড়ঝাঁপে হোল আধার, এখন বলছে ওটা হয়েছে বেকার। সকলের সাথে জুড়তে হলো প্যান, এখন ভোটার এপিকও জুড়ে দেন। সব কিছুতো জুড়তে হলো,  বাকি কী আর রইলো বলো। সব জুড়ে এবার ভোম ভোলে, এন আর সি,সিসিএ,আসলো বলে। এতো গ্যারাকল কেন রে বাবা ভোটটাই তো নিবি তোরা, সব কিছুর মূলে ভোটের মন্ত্র, ভোটের ঠেলায় প্রাণ ওষ্ঠাগত। ভোটই এখন সিদ্ধি লাভের মন্ত্র, মানুষ শুধু টিপ ছাপ দেবার যন্ত্র। ভোট এখন এক মহা তন্ত্র, মগজ ধোলাইয়ের শ্রেষ্ঠ যন্ত্র। সমাজটাই বুঝি নাচের পাঠশালা, দেখে শুনে মানুষ এখন হাদা কালা। এ কেমন চলছে দেখো নাচের খেলা এমনটাই বুঝি গদির লড়াইয়ের খেলা। ভোট মানেই গদির লড়াই, ...

11129> || ছিঁচকাঁদুনি ||

     11129> || ছিঁচকাঁদুনি ||     <---আদ্যনাথ---> ও পাড়ার ছিঁচকাঁদুনি, সে নাকি বিশাল রাঁধুনি। হাত দিয়ে ভাত খায়, একলা বসে গান গায়। লোকে বলে ছিঁচকাঁদুনি, এমনতরো গাইয়ে আর দেখিনি। গানের গুঁতোয় পালায় গরু ছাগল, সবাই বলে ও নিশ্চয়ই গান পাগল। এমন গান গাইছো কেনে, গরু মহিষ সব পালায় বনে। বাচ্ছা বুড়ো সব গেছে পথ ভুলে, ছিঁচকাঁদুনি গাইছে দেখো নিজের তালে। ছিঁচকাঁদুনির মনখারাপ এই শীতের কালে, নিজেই ছোটে বাঁশ বাগানে গাছের তলে। জোৎস্না রাতে পথ হারিয়ে পুকুর পাড়ে, শীতে কাঁপতে কাঁপতে ঘুমিয়ে পড়ে। পূর্ণিমাতে চাঁদের ছায়া তাল পুকুরে, ভাবছে  আকাশ থেকে খুলে পরে, অমন সুন্দর চাঁদখানি বুঝি গেছে ডুবে, তাই বুঝি তুলে আনতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।  ছিঁচকাঁদুনি জলে ডুবে শীতের রাতে,  ভুগছে ভীষণ জ্বর আর সন্ধি বাতে।  গান ভুলেছে রামছাগলের গুঁতোয়,  পা ভেঙেছে হোঁচট খেয়ে ছেঁড়া জুতোয়।    <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->      05/11/2025 রাত্রি 1:20 মিনিট ======================

11128>সমুদ্রের মতন বিশালতা ও উদারতা,

 11128>সমুদ্রের মতন বিশালতা ও উদারতা, পর্বতের মতন সুউচ্চ ও দৃঢ়তা, প্রকৃতির মতন স্নিগ্ধ ও সমম্ভাবাপন্নয়তা মানুষকে শেখায় প্রকৃত মানুষ হতে।  তাঁর জ্ঞান বুদ্ধি ও আত্ম শক্তির বিকাশ হতে। তাইতো  বিগত বৎসরের অভিজ্ঞতা নিয়ে আগামী বৎসরের আগমনী বার্তা শেখায় , কেউ পুরাতন নয়, সকলেই মনের মণিকোঠায় স্বজত্নে রয়।  অনেক অনেক জীবনকে শেখায়। আর এভাবেই সমগ্র বিশ্বে  ভারতবর্ষের মাধুর্য ভিন্ন  হয় ও সমগ্র বিশ্বকে আহ্বান করে ও  সকলকে ভ্রাতৃত্বের মন্ত্র শেখায় ।   <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--> ================== 2>সংযমই জীবনকে সুন্দর করে, প্রকৃতি জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে, সংযম বয়সকে শ্রদ্ধা করে, সময় প্রকৃতি সহ মানুষকে শাসন করে। <--আদ্য নাথ রায় চৌধুরী--> ========================

11127> অনামিকার জন্ম দিনে শুভেচ্ছা::--

11127> অনামিকার জন্ম দিনে শুভেচ্ছা::-- শুভ দিন গুলি আসে-- শুভ সংবাদ নিয়ে, জন্ম দিন আসে-- বৎসর কে মনে করিয়ে দিয়ে। বৎসর আসে যায় বয়স বেড়ে যায়, স্মৃতি অনেক মনেকরিয়ে দেয়, স্বপ্ন গুলো স্বার্থক হতে চায়। তাইতো জন্মদিন,  নুতন প্রেরণা জাগায়, জন্ম দিন সদাই শুভ হয়, কারণ শুভ ক্ষনকে মনে করায়। জন্মদিন এক শুভ ক্ষণ, তোমায় আবির্ভাবের ক্ষণ, যে ক্ষণে তোমার মা-ই কষ্ট সয়েছেন, বাড়ির আর সকলেই সেদিন হেসেছেন। তোমার প্রচেষ্টা হোক-- এই দিনটিকে সুন্দর করতে, সকলকে মনেপ্রাণে ভালো বসতে, সকল দুঃচিন্তা দুর্ভাবনা ভুলে যেতে।  তোমার আগামী দিনে গুলি শুভ হোক, সুন্দর মন ও সুস্বাস্থ্য তোমার চাহিদা হোক, তোমার নুতন উদ্যমে এগিয়ে চলা হোক,  ঈশ্বরের আশীষ তোমার পাথেয় হোক।       ইতি- বাবা---   <---আদ্য নাথ রায় চৌধুরী---> সংযম জীবনকে সুন্দর করে, প্রকৃতি জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে, সংযম বয়সকে শ্রদ্ধা করে, সময় প্রকৃতি সহ মানুষকে শাসন করে। <--আদ্য নাথ রায় চৌধুরী-->