Posts

Showing posts from September, 2025

1111>|| প্রকৃতি যখন ভয়ঙ্কর ||

     1111>|| প্রকৃতি যখন ভয়ঙ্কর ||          <----আদ্যনাথ---> মায়ের অপেক্ষায় পৃথিবী বাসী, কিন্তু আমরা আজ বানভাসি। মায়ের রোষানলে ঝরছে বৃষ্টি, মায়ের এ কেমন খেলা আনাসৃষ্টি। কে কাঁদছে কে বাঁচাবে  সকলই ডুবছে জলে। পাঞ্জাব থেকে বঙ্গ, কে দেবে কার সঙ্গ। হায়রে সুখের বৃষ্টি, আজ যেন অনাসৃষ্টি। জায়গায় জায়গায় মেঘ ভেঙে পড়ছে, জনবসতি ধুয়ে মুছে দিচ্ছে। প্রকৃতি নিজেই উদ্যত ভার লাঘবে, প্রাণিকুল শহর নগর ধ্বংস করে। প্রকৃতি আজ বিমুখ, সইতে মানুষের অত্যাচার। বনজঙ্গল ধ্বংস,ভাঙছে পাহাড় একেমন আধুনিকতার প্রসার। মানুষ বুঝি হচ্ছে মানুষ প্রকৃতিকে দিয়ে টেক্কা, প্রকৃতিও দেখাচ্ছে খেল সব করে দিয়ে ফাক্কা। মানুষ আজ নিজঅহঙ্কারে, নিজেকেই শ্রেষ্ঠ ভাবে, প্রকৃতির ভারসাম্য করছে ধ্বংস, মানুষের অহং, প্রকৃতির কাছে তুচ্ছ। মানুষ বুঝেও বোঝেনা নিজের বড়াইয়ে ব্যস্ত, প্রকৃতি যাক সরাতলে অপকর্মতেই ন্যস্ত। এ কেমন সভ্যতা,  কেমন আধুনিকতা, শিক্ষা হচ্ছে সমূলে ধ্বংস, লুটের সম্রাট সব যেন কংস। কোথায় আজ কৃষ্ণ অবতার,  কেউ কি দিতে পারে খোঁজ তাঁর। চারিদিকে এমন প্রচন্ড প্ৰদূষণ, নিজেই লুপ্ত হয়...

1110>|| পুজোর মজা || ----2025 ||

        1110>|| পুজোর মজা || ----2025 ||                                  শ্যামবিহারF2 তে ||              <------আদ্যনাথ-----> কর্ম জীবনে আমার পুজোর মজা ছিল  মোটারকম বোনাসে, আজ শ্যামবিহারে পুজোর মজা স্টেজে পারফর্মেন্সে। তুলনায় কোটি ভালো বলা মুস্কিল অঙ্কে, সেদিন যৌবনে অর্থের চাহিদাছিল তুঙ্গে। আজ সিনিয়র হয়েছি বয়সের কারণে, অর্থের চাইতে মনের আনন্দ মান্যতা বরণে। এখানে আছি ভালো, পুজোয় একাত্ম হয়ে মেতে, এ-হেন আনন্দ ছেড়ে, মন চায়না কোথাও যেতে। শ্যামবিহার F-2তে শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেই সম্মানিত আদৃত, হেথা জাতী, ধর্ম, কর্ম, নির্বিশেষে সকলেই স্বাদরে সমাদৃত। কমপ্লেক্সে সকলে এক অলিখিত শৃঙ্খলায় আবদ্ধ, নানান পর্ব অনুষ্ঠানে আমরা একে অন্যের কর্মে মুগ্ধ। এই কমপ্লেক্সে কে-ভালো কে-মন্দ নাই কারো ভাবনায়, আমরা একসাথে আছি কর্ম ও আড্ডার আনন্দ চর্চায়। আমাদের সান্ধ্যআড্ডা  নির্মল বাতাসের মতন, কর্মের তাড়না ভুলে সযত্নে আছি ভালো নিজেদের যতন। এর থেকে সুখানন্দ কোথায় ...

1109>|| মা আছেন হৃদয় মাঝে ||(ছন্দে)2025

  1109>|| মা আছেন হৃদয় মাঝে ||(ছন্দে)2025               <-----আদ্যনাথ---> "মা" মহামায়া, 'মা'দুর্গা, 'মা'দুর্গতিনাশিনী 'মা'এসেছিলেন ধরায়। 'মা' এসেছিলেন আমাদের ঘর আলো করে।   'মা'কে  বরণ করেছিলাম  আদর করে, 'মা' আছেন সর্বদা হৃদয় আলো করে। ঠিক যেন  উমা এসেছিলেন বাপের বাড়ি, মা মেনকা নিয়েছেন তাঁরে বরণ করি। হিমালয় পুত্রী উমা রূপে দুর্গা ছিলেন অতি প্রসন্ন, লক্ষ্মী,গণেশ, সরস্বতী,কার্তিক,সকলেই ছিল আনন্দিত। চারজনের বাহন সকল আনন্দে দিশেহারা। অসুর ছিল অতি শান্ত সুশীল যেন গোবেচার। 'মা'চারদিন পুজো নিয়েছেন মন্ডপের বসে, আজ থেকে মা পুজো নেবেন আমাদের হৃদয়ে বসে। 'মা'এর আসা যাওয়া,আমাদের বাৎসরিক যাচনায়, নন্দী ভরিঙ্গি থাকেন সদাই পাহারায়। ষষ্ঠী,সপ্তমী, অষ্টমী, আনন্দের শিহরণ, নবমী নিশিতেই শুরু বেদনার কারণ। দশমীতে 'মা' চলে গেলেন কৈলাশে, শিব আজ বসে আছেন আয়েশে। নন্দী ভৃঙ্গি আনন্দে দিশেহারা, 'মা' ফিরেছেন ঘরে ,আর দিতে হবেনা পাহারা। নন্দী ভৃঙ্গির মনে চিন্তা দিচ্ছে ধরা, 'মা'এর সাথে এসেছে অসুর হতচ্ছাড়া। অসুর বেটা ম...

1108>|| মা দুর্গার স্মরণে ||

        1108>||  মা দুর্গার স্মরণে ||           <----আদ্যনাথ----> শিব-পার্বতী আমাদের সংসারী দেবতা, ঘরের মেয়ে ও ভোলানাথ জামাতা। এমন জুটি বাংলা ছাড়া কোথায় পাই। তাইতো দুর্গাপূজায় আনন্দের সীমানাই। আমাদের সংসারে আর কিছুর অভাব থাকুক বা না থাকুক, দুঃখ-কষ্টের অভাব নাই। তাইতো আমরা নানান দেবতার নানান ভাবে পূজা করে আনন্দ ও শান্তি পাই। পূজা-ভক্তি-শ্রদ্ধা সেতো হৃদয় মাঝে, আমাদের গৃহ পূজাতো সকাল সাঁঝে। তাইতো আমাদের মানসলোকে, দেব-দেবীর রূপ অধিষ্ঠান থাকে। তাকে নিয়ে আমাদের কতনা গল্প কথা, গল্পের উপরে গল্প--গল্পেরপরগল্প গাথা। গল্পের শুরু সেই কৈলাশ পর্বতের স্বর্গলোকে, ভগবানের বাসস্থান মনঃকল্পনার স্বর্গলোকে। দেব দেবীর নাম মাহত্যেই পূজা হয়, সেকারণে বেদেকেই আশ্রয় করতে হয়। আমাদের প্রাচীন মুনি ঋষিদের চিন্তায়,  দেবতাদের নামের নানন অর্থ ভাবায়। বেদেই আছে সমাধান,  সকল শাস্ত্র ও প্রশ্নের বিধান। তর্কবাগিস, তর্কালংকার, বেদের জ্ঞানেই তাদের অহংকার। মোহিত হতে হয় "দুর্গা" নামের অর্থ জানতে, বধ করেছিলেন দুর্গম নামের ভয়ানক এক অসুরকে। তাই তিনি দুর্গা। আবার দু...

1107> || EMPTY

         1107> ||EMPTY