1109>|| মা আছেন হৃদয় মাঝে ||(ছন্দে)2025

  1109>|| মা আছেন হৃদয় মাঝে ||(ছন্দে)2025

              <-----আদ্যনাথ--->

"মা" মহামায়া, 'মা'দুর্গা, 'মা'দুর্গতিনাশিনী

'মা'এসেছিলেন ধরায়।


'মা' এসেছিলেন আমাদের ঘর আলো করে।  

'মা'কে  বরণ করেছিলাম  আদর করে, 'মা' আছেন সর্বদা হৃদয় আলো করে।


ঠিক যেন  উমা এসেছিলেন বাপের বাড়ি,

মা মেনকা নিয়েছেন তাঁরে বরণ করি।

হিমালয় পুত্রী উমা রূপে দুর্গা ছিলেন অতি প্রসন্ন,

লক্ষ্মী,গণেশ, সরস্বতী,কার্তিক,সকলেই ছিল আনন্দিত।


চারজনের বাহন সকল আনন্দে দিশেহারা।

অসুর ছিল অতি শান্ত সুশীল যেন গোবেচার।

'মা'চারদিন পুজো নিয়েছেন মন্ডপের বসে,

আজ থেকে মা পুজো নেবেন আমাদের হৃদয়ে বসে।


'মা'এর আসা যাওয়া,আমাদের বাৎসরিক যাচনায়,

নন্দী ভরিঙ্গি থাকেন সদাই পাহারায়।

ষষ্ঠী,সপ্তমী, অষ্টমী, আনন্দের শিহরণ,

নবমী নিশিতেই শুরু বেদনার কারণ।


দশমীতে 'মা' চলে গেলেন কৈলাশে,

শিব আজ বসে আছেন আয়েশে।

নন্দী ভৃঙ্গি আনন্দে দিশেহারা,

'মা' ফিরেছেন ঘরে ,আর দিতে হবেনা পাহারা।


নন্দী ভৃঙ্গির মনে চিন্তা দিচ্ছে ধরা,

'মা'এর সাথে এসেছে অসুর হতচ্ছাড়া।

অসুর বেটা মর্তে গিয়ে খেয়ে ভুঁড়ি বাগিয়ে আজ বড় শান্ত,

তবুও বেটার নাই বিশ্বাস পাতালে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত।


অসুরের ধর্ম অসুর করে ওতেই ওর আনন্দ,

একমাত্র 'মা' ই পারেন ওদের করতে শান্ত।

মায়ের আশীষে অসুর কুলের হোল উদ্ধার,

কিন্তু মর্ত্যভূমিতে বাড়ন্ত অসুর বৃত্তি  দেখি বার বার।


সিংহ, সাপ এদের বাড়ন্ত শক্তি মায়ের

আশীষে,

ওরা ভয়ংকর হলেও পৃথিবীর ভারসাম্য বজায় রাখে।

ওদের মনে আছে ক্ষোভ চায়  প্রতিকার,

ওদের ভয় শুধু মানুষের অত্যাচার।


মানুষ করছে উজাড় জঙ্গল বনাঞ্চল,

প্রতিদিন দখল করেছে পশু পাখিদের অঞ্চর।

পশু পাখি দের আবাসস্থল করে দখল গড়ছে শহর,

এভাবে চলতে থাকলে শীঘ্রই পৃথিবী যাবে রসাতল।


কেবুঝবে কার দুঃখ সকলেই থিম পুজোয় পাগল,

পরিবেশে এতো আওয়াজ এতো আলো

কিভাবে বাঁচবে ওই নিরীহ পাখি গুলো,

কে করবে প্রতিকার, পরিবেশ কে দূষণ মুক্ত।

   <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

        

=====================


Comments

Popular posts from this blog

1118>|| ভূত চতুর্দশী/ নরক চতুর্দশী ||

1117>|| কার্তিক অমাবস্যা ||