1117>|| কার্তিক অমাবস্যা ||
1117>|| কার্তিক অমাবস্যা ||
<----আদ্যনাথ----->
সকালে চারিদিকের ঘাসে মুক্তোর মতন
শিশিরের পরশ,
এভাবেই বুঝি শীতের আগমনী বার্তার হরশ।
এই বুঝি হেমন্তের শুরুর সময়,
যা ইংরেজিতে 'ডিউয়ি সিজন'হয়।
আবার কবি কালিদাসের কাব্যিক ভাষায়,
সময়টি নিশ্চই চিত্তসন্তাপের ঋতুর সময়।
মনেপরে শারদীয়া দশমীতে বিসর্জনের বেলায়,
দেখেছিলাম দেবীর মুখ বিষাদমাখা উদাসীন হয়ে যায়।
আজ হেমন্তের শিশিরভেজা অদ্ভুত এই নিস্তব্ধ শান্ত সকাল,
প্রকৃতিতে যেন বিষণ্ণতা ও উদাসীনতার আবেশের কাল।
তবুও মনে এক স্নিগ্ধ আবেশের শিহরন বয়ে যায়,
মনেপরে সেদিনের সেই উগ্র তান্ত্রিক সাধন নিরালায়।
যখন বুঝেছি ওসকল সাধনে বাড়ে লোভ ও অহংকার,
ত্যাগ দিয়েছি সকল প্রকৃতির সহায় সংস্কার।
যদিও সাধন গুলিতে ছিল অহেতুক কিছু সংশয়,
বার বার বিফল হয়েও শেষে হয়েছিল আশাময়।
গোলক ধাঁধার গভীর অস্থিরতার নিদারুণ ভোগান্তি।
সৌর দক্ষিণায়নের সেই আশার ছলনে বার বার ভুলেছি।
ভূতচতুর্দশী ও অমাবস্যার সন্ধিকালে ডাকিনি যোগিনীর সিদ্ধাসনে,
নানান সিদ্ধি ও অশুভ শক্তির আরাধনা কালে,
কার্তিক অমাবস্যা তিথি বা দীপান্বিতা অমাবস্যা তিথি,শ্যামা মায়ের আরাধনার কালে,
কিছু ঋণাত্মক শক্তির প্রয়োগ ও তথ্য অনুসন্ধানে,
সেদিনের নানান অনুষ্ঠানে অতিবাহিত সময়কালে,
লৌকিক ও পরলৌকিক নানান ঘটনার সেই স্মৃতি ভুলি কেমন করে।
আজও সেই চিন্তা মাত্র শিহরণ জাগায়,
কিছু রোমাঞ্চকর অনুভূতি ময়,
কোন ভয় ও অযাচিত কোন কারণ নয়,
এক গভীর স্নিগ্ধ আকর্ষণ,
যা আজও ধ্যান ও চিন্তনে অনুভব হয়,
তাইতো মন চায় একটু নিবিড় সময়।
চাহিদা অনেক প্রখর মাত্রা ছাড়া,
সাধ্যকী, নিতান্ত কিছু স্বার্থ কর্ম ছাড়া।
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
20 অক্টোবর 2025
সকাল 5: 20 মিনিট।
=======================
Comments
Post a Comment