1110>|| পুজোর মজা || ----2025 ||
1110>|| পুজোর মজা || ----2025 || শ্যামবিহারF2 তে ||
<------আদ্যনাথ----->
কর্ম জীবনে আমার পুজোর মজা ছিল মোটারকম বোনাসে,
আজ শ্যামবিহারে পুজোর মজা স্টেজে পারফর্মেন্সে।
তুলনায় কোটি ভালো বলা মুস্কিল অঙ্কে,
সেদিন যৌবনে অর্থের চাহিদাছিল তুঙ্গে।
আজ সিনিয়র হয়েছি বয়সের কারণে,
অর্থের চাইতে মনের আনন্দ মান্যতা বরণে।
এখানে আছি ভালো, পুজোয় একাত্ম হয়ে মেতে,
এ-হেন আনন্দ ছেড়ে, মন চায়না কোথাও যেতে।
শ্যামবিহার F-2তে শিশু থেকে বৃদ্ধ
সকলেই সম্মানিত আদৃত,
হেথা জাতী, ধর্ম, কর্ম, নির্বিশেষে সকলেই স্বাদরে সমাদৃত।
কমপ্লেক্সে সকলে এক অলিখিত শৃঙ্খলায় আবদ্ধ,
নানান পর্ব অনুষ্ঠানে আমরা একে অন্যের কর্মে মুগ্ধ।
এই কমপ্লেক্সে কে-ভালো কে-মন্দ নাই কারো ভাবনায়,
আমরা একসাথে আছি কর্ম ও আড্ডার আনন্দ চর্চায়।
আমাদের সান্ধ্যআড্ডা নির্মল বাতাসের মতন,
কর্মের তাড়না ভুলে সযত্নে আছি ভালো নিজেদের যতন।
এর থেকে সুখানন্দ কোথায় গেলে পাবে কেউ,
আমাদের অফুরন্ত আনন্দ উল্লাস যেন সমুদ্রের ঢেউ।
কর্ম মুখর নদীগুলি আজ মিশেছে শ্যাম বিহার সাগরে।
আজ সকলেই আমরা আছি একান্ত
নিজের মতন আদরে।
কে-বলে শ্যামবিহার ফেজ 2 হাউসিং কমপ্লেক্স,
আমরা বিশাল এক একান্নবর্তী সংসারে
সাফল্যে সাক্সেজ।
আমাদের আনন্দ উল্লাসের অনুভব সকলের সঙ্গে,
আমরা নিজেরাই সদানন্দ নিজেদের আঙ্গনে।
পুজোয় ভুরিভোজ ও নানান পরিতোষ,
বয়ঃ বৃদ্ধ মনেও যোগায় সাহসী সন্তোষ।
শ্যামবিহার F-2 এর বৎসর ভর হরেক অনুষ্ঠান,
আমাদের করে তোলে নুতন উৎসাহের
প্রাণবান।
আমরা হাসি, খেলি আনন্দ আড্ডায় চলি বয়ে,
যুবকেরা মেটায় আমাদের আবদার উপযাচক হয়ে।
আমাদের ডাক্তারের নিঃস্বার্থ সেবা চলতে থাকে আড্ডায়,
সকলের আপদে বিপদে পীযুষ দা আছে তৈরি নিঃস্বার্থ ভাবনায়।
সিনিয়র হলেও আমরা এক আনন্দ স্রোতে ভাসি,
আমাদের আড্ডায় নানান কর্ম কান্ড নিয়ে ভাবি।
যে যতটুকু ভাবি আমাদের কমপ্লেক্সের
উন্নতি কল্পে,
সিনিয়র সিটিজেন হলেও ভাবনা সদা তারুণ্য-কল্পে।
দুর্গোৎসব এখন শুধুই বাঙালির নিজের উৎসব নয়,
আজ দুর্গোৎসব হয়ে উঠেছে এক আন্তঃসাংস্কৃতিক মিলনমেলা ময়।
যেখানে শহর অঞ্চল ভাষা, জাতী, ধর্ম, সব কিছুর ঊর্ধ্বে উঠে মানুষ জড়ো হয়।
একান্ত ভালবাসা, বন্ধুত্ব ও শ্রদ্ধার বন্ধনে,
একে অপরকে ভালোবেসে টেনে নেয়
আলিঙ্গনে।
এভাবেই দুর্গোৎসবের স্বার্থকতা,
এ-হেন মিলন মেলায় সকলেই যেন এক প্রাণ এক আত্মা।
তাইতো দুর্গা পূজার জন্য বৎসর ভর অপেক্ষায় চেয়ে রয়,
পুজোর চার দিনের আনন্দ মেলা সকলের মনে গেঁথে রয়।
<-------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
==========================
Comments
Post a Comment