11132>|| পিকনিক পিকনিক (1--22)

11132>|| পিকনিক পিকনিক(1--22)

1>|| SV2 সিনিয়র পিকনিক 2026 ||
2>|| পিকনিক পিকনিক
3>|| আমাদের পিক নিক ||---(2026)
4>||হাটীমাটিম আমরা বুড়োদের টিম,
5>|| আমাদের 2026 এর পিকনিক
6>|| অমিয় বনভোজ ||
  7>|| পিকনিক |
  8>||-চরৈবেতি-চরৈবেতি(1)।।-
  9>|| चरैवेति-चरैवेति (2)||
  10> চরৈবেতি, চরৈবেতি,(3)
   11>আমাদের চড়ুইভাতি 2018
  12>পিকনিক সহ কোলকাতা দর্শন।
  13>আমাদের পিকনিক 2018
  14>আমাদের বন ভোজের ভাবনা।
                                          2025
  15>SV2 সিনিয়র দের বনভোজন
               2025.
  16>আগামিকাল আমাদের পিকনিক
                   2025
  17>2025 আমাদের পিকনিক
     প্রথম ও দ্বিতীয়  পর্ব।

18>আমাদের পিকনিক।

19>স্থগিত পিকনিক 2022

20>আমাদের 2023 এর পিকনিক

21>শ্যাম বিহার ফেজ2 এর পিকনিক2023

22>ছোটবেলার চড়ুইভাতি।

=========================

1>|| SV2 সিনিয়র পিকনিক 2026 ||

           <----আদ্যনাথ----->
ওই শোনো নুতন বৎসর আগত প্রায়,
এসে গেল আমাদের কোমর বাঁধার সময়,
SV2 এর সিনিয়র সিটিজেন সকলে,
তৈরি হয়ে নিন নিজের মতন সদলবলে।

আসুন আসুন আমরা সবাই,
পিকনিকে সকলে মিলে আনন্দ জমাই,
পিকনিক হোল আসলে বনভোজ,
আমাদের পিকনিক এক আনন্দের খোঁজ।

মিলেমিশে একসাথে,
ঘরের বাইরে একটু বেরিয়ে,
ক্লান্তির ছায়াকে ভুলে যাওয়া,
একটা দিন নিজেকে খুঁজে পাওয়া।

365 দিন সংসারের বেড়া জালে,
নানান ধকল, কিছু বেদনা সয়ে,
ক্লান্তির ঘামটুকু মুছে নিতে,
আদরে প্রকৃতির পরশ মেখে নিতে।

আসুন সকলে একসাথে,
মেতে উঠি পিকনিকের আমেজেতে।
বৎসরের শুরুতে মনকে রাঙিয়ে নিতে,
আমরা মেতে উঠি পিকনিকে একসাথে।

বিগত দিনের সকল ভুলচুক ভুলে,
আমরা আবার মেতে উঠি পিকনিকে।
আমরা SV2 এর সিনিয়র সিটিজেন,
পিকনিক আমাদের এক আনন্দের দিন।

প্রকৃতির মাঝে নিজেকে খুঁজে পাওয়া,
একটু শীতলতার পরাগ মাখা,
একটু মুক্ত আকাশের ধুলো মাখা,
নুতন করে একে অপরকে চিনে নেওয়া।

পিকনিক মানে তো একটু ভুঁড়ি ভোজ,
একটু মেনেও নামানা ডাইটিং রোজ।
রোজ রোজ কি সব মেনে চলা চলে!
একদিন অনিয়ম হলে কি আর হবে!

খেতে হবে পেট পুরে  মনের মতন,
বৎসরে সবদিন চলে কি রোজের মতন!
নিয়ম কানুন ভুলে না হয় একদিন,
সকলে মিলে আনন্দে দিনটিকে লুটিয়ে দিন।

এমন আনন্দ তো রোজ আর হয়না,
মনের অনেক কথাও রোজ বলা যায়না।
রোজ নামচা যেমন চলছে তেমন চলুক,
একদিনের হাসি ঠাট্টায় মন প্রাণ খুলে কথা বলুক।

সর্ব রোগের সেরা ঔষধ আমি জানি,
সকাল সন্ধ্যা প্রাণখুলে হাসুন একটু খানি।
হাসির চাইতে শ্রেষ্ঠ ঔষধ আর কিছু নেই,
দুইবেলা হাসুন তাতে লজ্জার কিছু নেই।

পিকনিকেই হাসির খোরাক খুঁজে পাওয়া,
সকলের সাথে কিছুসময় হেসে নেওয়া।
তাইতো সব ভুলে পিকনিকে যোগ দেওয়া,
পিকনিক মানেই একদিন হারিয়ে যাওয়া।
  <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->
        16/10/2025 রাত্রি 1:20 am
======================

SHYAM VIHAR PHASE 2
   SENIOR CITIZEN
WINTER PICNIC::-- 2026
will be held on dt 16/01/2026
Friday.
At  Eco-Urban Village
Picnic Spot No:--2
Cottage No:-- 4

【West Bengal Housing Infrastructure Development Corporation Limited】

Biswa Bangla Sarani, Premises,
Block,Action Area-1, Newtown.
Kolkata:--700156.

=====================

2>|| পিকনিক পিকনিক ||
      <--আদ্যনাথ-
ফোকলা দাঁতের হাসি ফিক ফিক,
হাসিতে যদি বারহয় হওয়া,
কিছু হবে হয়তো উপরী পাওয়া।

উপরী হোক নগদ বা পেটে খাওয়া,
পিকনিকে আনন্দ খুঁজে নেওয়া,
পিকনিকে অট্ট হাসিতে নাই মানা,
হাসতে হাসতেই অনেক যায় জানা।

হাস হাস হাসরে ভাই,
হাসতে হাসতেই কর খাই খাই,
পিকনিকে ভুঁড়িভোজ টাও হওয়া চাই,
পিন নিকের নাম বনভোজ বলে তাই।

হাস হাস প্রাণ খুলে হাস  ভাই,
পিকনিকে হাসি আর ফুর্তি হওয়া চাই,
হাসি আর ভুঁড়ি ভোজ সবটাই চাই,
পিক নিক মানেই মনকরে খাই খাই।

শীতের শুরুতেই পিকনিকের দামামা বাজে,
সকলেই যে যার বন্ধুদের খোঁজে।
পিক নিক মানেই বর্ষ মিলনের পর্ব,
মন মাতিয়ে হৃদয় উজাড় করার পর্ব।

ইংরেজি বর্ষ শেষ ও শুরু,
মনটাই হয়ে ওঠে উরু উরু,
স্বপ্নে ও জাগরণে অনেক ভাবায়,
পিকনিকের আনন্দই মনকে মাতায়।

শীতের পরশ,আনন্দ শিহরণ জাগায়,
শীতের হওয়ায় মন উদাস হয়ে যায়।
পিকনিকের ভাবনায় মন লুট পুটি,
শীতকে আদরে জড়িয়ে আনন্দ খুঁজি।

পিকনিকের আর এক নাম চড়ুইভাতি,
পিকনিক,বনভোজন,আউটডোর জানি।
নানাজনে নানা মত মনভালোর মিলন,
আনন্দ আর ভুঁড়িভোজের গল্পকথন।

ডিসেম্বর কিংবা জানুয়ারী,
শীতে নানা উপাদেয় খাদ্যের বাহারি,
সাথে যদিহয় নলেন গুড় আর রসের হাঁড়ি,
ভোলা মন খুঁজে বেড়ায় মনের কারবারি।

এতো ভাবনা কেন রে মন,
খেজুর গাছে হাঁড়ি বাঁধা আছে যখন।
খেজুরের রস মনকে মাতায়,
জয়নগড়ের মোয়া আর রসগোল্লা যেথায়।

শীতের সকালে  নলেন গুড়ের হাঁড়ি,
ঠিক যেন নুতন বউয়ের মিষ্টি হাসি।
শীতে নলেন গুড় আর বনভোজ,
উভয়ই বুঝি গোপন নিরালা মনের খোঁজ।
  <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
  21/12/2025::--সকাল 6:30মিনিট

========================

(3)|| আমাদের পিক নিক ||---(2026)

আমরা শ্যামবিহার ফেজ 2 এর সিনিয় সিটিজেন,
আমাদের আনন্দ মহল যেন মনের মতন।
আমাদের আছে শারীরিক ব্যাথা বয়সের সাথে,
তথাপি আমরা মাতি আনন্দে একসাথে।

আমাদের পিকনিকের ভুরিভোজ,
জমেছিলো খুব জোর যেন  খাইখাই করি রোজ।
খাবার শেষ পেতে গুড়ের মিষ্টি,
রাজ ভোগ নয় তৃপ্তির নজরে অপরূপ সৃষ্টি।

জমেছিল পিক ইকো আরবান ভিলেজে ভিতরে,
আমাদের কেপ্টেন পীযুষ দার একান্ত আদরে,
স্পট টি নিশ্চই ছিল মনোরম,
ছায়া ঘেরা শীতল, রোদ্দুরের গরম।

পিকনিকের খাবার ছিল মনের মতন
ওরা খাবার সময় করেছে খুব যতন।
মাছ মাংসের তুলনা হবেনা,
ডাল ছিল যেন মনের মতন অহনা।

যাইহোক খাওয়া ও স্পট নিয়ে কোন কথা হবেনা,
এমন ভালোলাগার জায়গার নাই কোন তুলনা।
আমাদের সন্ধ্যা আড্ডা যেমন মজার তেমনি রোমান্টিক,
আমাদের পিকনিকটাও হোল সঠিক।

অশেষ ধন্যবাদ সকলকে,
আমাদের আড্ডার সকলকে।
ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনা রইলো।
আবার আগামী বৎসরের তোর জোরের অনুরোধ রইলো।

ভাবনা কি আছেন কেপ্টেন সব সামলে নেবেন,
আবার নুতন কোন স্পটের সন্ধান দেবেন।
আমাদের সকলের সহযোগিতা ই ওনার হিম্মত,
আমরা সকলেই থাকবো ঠিক সুস্থ সেটাই আমাদের সহমত।
  ||<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->||
       16/01/2026 ::শুক্রবার
=======================

  (4) হাটীমাটিম আমরা বুড়োদের টিম,

  বুড়ো নই জোয়ান ও নই
  নই কো যেমন তেমন হাবরা,
  মনের মধ্যে ভাবনার বোঝাই যাতনা।
  তবুও আমরা হার মানবো না,
  পিকনিকে পিছু হাঁটবো না,
  প্রতিবৎসর এমনি করেই হবে সুন্দর ,
মনের আনন্দে মাতবে আমাদের অন্তর।
যেখানে যেখানে ভালো পিকনিক স্পট,
      আমরা খুঁজে নেবো ঝটা পট,
আবার সামনের বৎসরের জন্য কোমর বাধাঁ,
আমরা মানবোনা কোন সময়ের ধাঁধা।
  পিকনিক ও সান্ধ্যআড্ডা
  এইতো আমাদের মেজাজের ফান্ডা,
  হোক সে যেমন তেমন
আমরা চাই সব কিছু মনের মতন।
মন আছে তাই ভাবাও আছে,
বুড়ো হয়েছি বলে কি সব গেছে!
মানবোনা কোন বাঁধা মানবো না ভাই
আমাদের আসর জমানো ঘুরে বেড়ানো
   আর পিক নিক চাই,
  মনে থাকে যেন, সকলকে বলতে চাই
আগামী বৎসর আবার এমনি পিক নিক
  চাই।
জানি কেপ্টেন আছেন তাই ভাবনা নাই,
আমাদের সহযোগিতার কোন বিকল্প নাই।
আমরা হাসব খেলবো, না হয় একটু হাঁটবো,
তবুও আমরা আবার আবার ঘুরে বেড়াবো।
মনে রাখবেন আবার ছোট খাটো টুর হবে,
দেখিনা কার মাথার কি গিজ গিজ করে।
আসে পাশে কোথাও একটু বেরিয়ে পড়লেই হবে।
পৃথিবী আনন্দ ময় যেখানে মন চায় বেরিয়ে পড়লেই হবে।
ভাবনার জোয়ার বইতে থাকুক,
মন আছে তাই ভাবনাও থাকুক,
হাটীমাটিম আমরা শ্যামবিহারের টিম,
আমাদের মনের ভাবনাই আমাদের থিম।
   ||<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->||
=======================

  5>|| আমাদের 2026 এর পিকনিক ||
      <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
শ্যামবিহারের আমাদের পিকনিক
এ নয় সাধারণ পিকনিক
একটু ঊর্তিবয়সে আড়চোখে
উকি ঝুঁকি ঝিক মিক।

যেমন ভাবছেন তেমনটি নয় সঠিক,
আছে কিছু বেরাজালের নানান দিক।
তবুও আছি আমরা আনন্দে সঠিক,
মকরের পরে আনন্দের এই পিকনিক,

যদিও ছিলোনা মকরের পিঠে পুলি
তবুও শেষ পাতে ছিল গুড়েরমিষ্টির ঝুলি।
সবই ছিল ভালো
ভালো ছিলো পীযুষ দার সিলেক্সন,
আর ভালো ছিলো সন্তুদার রান্না আর পরিবেশন
সব মিলিয়ে পিকনিক ছিল অসাধারন,
পীযুষ দা সকলের হাতে লেবু দিয়ে জানিয়েছেন বিদায়ের মাঝে আহবাহন।
আমাদের পিকনিক বৃদ্ধ বয়সে আনন্দের ঠিকানা,
অনেক জেনেও কিছুই না জানা।
খেলতে খেলতে খেলোয়ার,
জানতে জানতে ---কি বলি আর,
তবুও বলবো পীযুষ দার আছে এলেম,
করতে পারে সবয়সের বন্ধন মেল,
যেন ঝড়া শুকনো গাছে কচি পাতার গন্ধ,
সব টুকু না হলেও কিছুই ছিলনা মন্দ।
বিশ্বাস না হলে দেখে নিন কিছু ছবি,
ফটো দেখেই মনটা হয়ে যাবে  কবি।
সুন্দরের আদর সকলেই করে,
কিন্তু সুন্দরের খোঁজ কজন রাখতে জানে।
সুন্দরের খোঁজ, সুন্দরের মাঝে সকলকে জোর করা,
সে এক বিশাল কর্ম কাণ্ডের আদর করা।
ধন্য আমাদের কেপ্টেন পীযুষ দার স্পট সিলেকশন করা।
কিছু দেখেনিন ফটো----
        নমস্কার ।
=======================
   6>|| অমিয় বনভোজ ||

<--আদ্য নাথ রায় চৌধুরী--->
সম্পন্ন হল আমাদের অমিয় বনভোজ,
অনেক পরিকল্পনার শেষে হল বনভোজ,
অতি মধুর ও আনন্দদায়ক বনভোজ,
সরল, সৌহার্দ্যের সাথে এক মনোরম বনভোজ।

প্রাকৃতিক পরিবেশে দলবদ্ধভাবে একদিন
প্রীতিময় আনন্দে কাটালাম একটি দিন।
ভোজন ও আনন্দ মিশ্রনে একটি দিন,
এটি ছিল আমাদের চড়ুইভাতি বা পিকনিকের দিন।

আর এভাবেই আমাদের পিকনিক হয়ে উঠেছিল অমিয় বনভোজ।
আমাদের শ্যামবিহার ফেজ 2 এর
সিনিয়র সিটিজেনদের বনভোজ।
হিডকোর অসাধারন ইকো আরবান উদ্যানে,
মনোরম এক ঝিলের ধরে অতি সুন্দর সকল ব্যবস্থার সাথে।
পরিষ্কার পরিছন্ন পরিবেশে ছায়াঘেরা বিশাল প্রাঙ্গনে।

আমাদের এতো কাছে এমন সুন্দর দূষণ মুক্ত পরিবেশ ভাবনার অতীত হলেও আছে সকল দিকে সঠিক।
এটাই প্রকৃত উত্তম বনভোজের ঠিকানা।
যে ঠিকানায় মুগ্ধ সকল সিনিয়র সিটিজেনেরা।

আমাদের ভালোলাগার একটা দিন,
একসাথে মুক্ত মনে ঘুরে বেড়াবার দিন,
যেন একে অপরকে নুতন করে চেনার দিন
হৃদয় উজাড় করে মুক্ত হওয়ায় ঘুরে বেড়াবার দিন।

=======================

   7>|| পিকনিক ||

    <--আদ্যনাথ-->
পিকনিক পিকনিক,
চড়ুইভাতি কথাটিও সঠিক,
বাৎসরিক মনরাঙানোর ম্যাজিক,
সকলে একসাথে ভালো থাকা ঠিক।

পিকনিক অথবা চড়ুইভাতির দিন,
আনন্দে মাতামাতির একটি দিন,
মনের সকল ক্লান্তি ভুলেথাকার দিন,
সকলে এক  সাথে মিলে থাকার দিন।

পিকনিক পিকনিক,
বৎসরে একদিন সেটাই ঠিক,
শীতের সকালেই জমে ওঠে ঠিক,
শান্ত মনেও দোল দেয় ঠিক।

ফুস-মন্ত্রর,জাদু-মন্ত্রর,
সকল ব্যাথা যাবে উড়ে,
অনাবিল আনন্দের গুলো
জেগে উঠেবে আকাশ ফুঁড়ে।

শীতের পরশে প্রকৃতি সুন্দর,
চারিদিকে নুতন ফুলের বাহার।
ব্যস্ততার মাঝে খুঁজে পাওয়া জীবন
একদিনের আনন্দের অনুভব কিছুক্ষন

সূর্যি মামা দেয় যে হামা
পূর্ব থেকে পশ্চিমে,
পিকনিক টাও সঙ্গ হবে
সূর্যি মামা পাঠ গুটালে।

একদিনের নিরলস আনন্দ,
এ যেন নুতন করে বাঁচার ছন্দ,
কত ভাবনা চিন্তার ভালো মন্দ,
জুটতে হবে লুটতে হবে মনভরে আনন্দ।

পিকনিকের আনন্দ যেন মনের ছন্দ,
পিকনিকে মেটে মনের সকল দ্বন্দ্ব।
পিকনিক এক মিলনের ছন্দ,
এক অনাবিল আনন্দের মিলন ছন্দ।

পিকনিক মনকে ছড়িয়ে দেওয়া,
খোলা মাঠে ঘাসে ঘাসে প্রকৃতিকে ছোঁয়া,
একসাথে একদিন হারিয়ে যাওয়া,
ভুঁড়ি ভোজের সাথে কিছু উপুরী পাওয়া।

যা পাবে উপুরী তার নাই জুড়ি,
সকাল থেকে সন্ধ্যে উড়বে মনের ঘুড়ি।
একটু হলেও হেসে খেলে কাটবে দিন,
তাইতো পিকনিক এক মেল বন্ধনের দিন।
   <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
           29/10/2025 ::6:45 pm

======================

8>||-চরৈবেতি-চরৈবেতি(1)।।-
<---আদ্যনাথ--->
"চরৈবেতি-চরৈবেতি"একটি
নিত্য অগ্রসর হওয়ার শাশ্বত মহামন্ত্র।
যে মানুষ নিজের দৃঢ় সংকল্পের সাথে,
পথ চলবার ক্ষমতা ও দৃঢ় ইচ্ছা রাখে,
তা'র চলবার উদ্যমের শ্রমে,
তা'র সকল নিত্য সমস্যা বাঁধা,
আপনি হতবীৰ্য্য হইয়া,
চলার পথ মুক্ত ও মসৃণ করিয়া তোলে।
এমন প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে লিখিলাম।

।। " চরৈবেতি-চরৈবেতি "।।
এগিয়ে চল -এগিয়ে চল --
জীবন চলিষ্ণু,এগিয়ে যেতেই হবে,
চলাই জীবন, চলতেই হবে,
সারাজীবন এগিয়ে যেতেই হবে।

জীবন সাফল্যের অগ্রগতি,
নির্ণায়ক নিদিষ্ট চলার প্রকৃতি।
ঘাত-প্রতিঘাত সইতেই হবে,
তবুও এগিয়ে যেতেই হবে।

এগিয়ে চলার কর মনস্থির,
মনে দৃঢ়তা ও লক্ষ্যে রয়ে স্থির।
শুরু ই যদি না হয় তবে,
জীবনটাই যে স্থবির হয়ে রবে।

পথ, সেও চেঁয়ে আছে,
আমাদের অপেক্ষায় নিরন্তর।
প্রকৃতি ও সর্বদা উদার,
মানুষের করতে উপকার।

চলা তো এক প্রক্রিয়া মাত্র,
আসল তো মনের দৃঢ়তাই সত্য।
জীবন সাফল্যে চলার বিলম্ব,
হতে পারে জীবন সাফল্যে বিঘ্ন।

বিলম্ব হতেপারে দুঃখের কারন,
চরৈবেতিই জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রকরণ।
মাভৈ মাভৈ রবে এগিয়ে যেতে হবে,
চরৈবেতিই উচিত মন্ত্র হবে।

এখন আর দেরি নয়,
জাগতে হবে মনে প্রানে হয়ে নিশ্চিৎ।
মনে প্রানে চরৈবেতির সঙ্কল্প,
মাভৈ মাভৈ হবে চলার মন্ত্র।

ঈশ্বরের দান ক্ষুদ্র সুন্দর জীবন,
জীবন হোক উৎসর্গ সকলের জন্য।
চেয়ে আছে কত অসহায় পরিজন,
ওদের ভাবতে হবে আমাদের একজন।

সমাজে আমাদের পাশে,
আছে কত দিন দরিদ্র আর্ত।
তারা যে হতদরিদ্র,
কে করবে দূর তাদের দারিদ্র।

দেখিইনা এগিয়ে একবার,
পারিকিনা ধরতে ওদের রুগ্ণ হাত।
তবেইতো চলা হবে সার্থক,
মনে না রেখে কোন দ্বিধা সংশয়।

চলতে হবে ওদের নিয়ে সাথে
ঝেড়ে মনের সকল সংকোচ সংশয়।
চলার পথে কিসের ভয়,
জন্ম থেকে মৃত্যু চলতে হবে নিশ্চয়।

হিংসা দ্বেষ,ভুলে,
মাভৈ মাভৈ রবে,
একলাই চলতে হবে,
চরৈবেতি, চরৈবেতি মন্ত্রই শ্রেষ্ঠ হবে।
<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
【-06/03/2021--】
【05:20:32 pm】
"===================

9>|| चरैवेति-चरैवेति ||
         <--आद्यनाथ-->
मंजिल पाना हीं तो चाहत हैं,
चाहत पानेके  लिए सफर करना हैं,
जो,पक्के इरादा से सफर की शुरुआत करते हैं,
वे,निश्चित मंजिल भी पालेते हैं।
सच्चा हौसला, पक्का इरादा के सामने
कठिन रास्ते भी सहज हो जाति हैं।
सतत चलना, चलतेहि रहना हैं।
चरैवेति-चरैवेति,चोलनेका यही तो मंत्र हैं।

जो अकेले चलनेका हिम्मत रखते हैं,
उसने ही तो दृष्टांत बनाते हैं।
अतः चलनेका हौसला,पक्का इरादा,
रखना जरूरी हैं।
क्योंकि,अच्छे इंसानों के लिये
रास्ते भी इन्तेजार करते हैं।
सतत चलना, चलतेहि रहना हैं,
चरैवेति-चरैवेति, चोलनेका यही तो मंत्र हैं।

अपनेसे ही आपना नई राह बनानाहै,
उस राह पर चलते रहना ही जीवन है l
सदा हँस्ते-हँसाते चलते रहना ही जीवन है,
सामने आई बाधा को तोड़ना ही जीवन है l
राह दुर्गम हो पड़ राह पर चलना ही जीवन है,
नहीं रुकना,नहीं थकना,हिम्मत नही हारना हैं।
सतत चलना, चलतेहि रहना हैं,
चरैवेति-चरैवेति, चोलनेका यही तो मंत्र हैं।
<---ए एन राय चौधुरी-->
--------30/11/2020----11.30 pm--
========================

    10> চরৈবেতি, চরৈবেতি,(3)

অর্থাৎ অনবরত চলা,এগিয়ে চলা,
এগিয়ে যেতে তো হবেই হবে,
এগিয়ে চলো সাহসে ভরকরে,
এগিয়ে  চলো আনন্দের সাথে।
কিন্তু চলার পথে কাউকে,
    ধ্বংস  করে নয়।
   চলার পথে হাসো,
কিন্তু কাউকে কাঁদিওনা।
জীবনে নিশ্চই জয়ী হও,
কিন্তু প্রতারণা করে নয়।
জীবনে অবশ্যই সুখী হও
কিন্তু কাউকে দুঃখ দিয়ে নয়।

চরৈবেতি, চরৈবেতি,
এগিয়ে চলাই জীবন।
জীবনে চলতে হবে একলা,
সাথে না কেউ ছিলো,
    না কেউ থাকবে।
আলোর পথে তোমার ছায়া
    থাকবে সাথে,
অন্ধকারে ছায়াও হারিয়ে যাবে।

জীবনে ভুলকরে এমন কিছু
       চেয়োনা কখনো কিছু।
জীবনে বড় ভুল একটি চাওয়া,
সকলের প্রিয় হতে চাওয়া।
টাকা ছাড়া কিছুই সকলের প্রিয় নয়,
   টাকা যদিও ভগবান নয়,
কিন্তু ভগবানের থেকে কমও নয়।

অযথা থাকি ব্যস্ত,মাথা ঘামিয়ে,
নিজের মান অপমান নিয়ে,
খুশি হই কারুর প্রিয় হতে পারলে,
টাকা ছাড়া কিছুই কারুর প্রিয় নয়।
         <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->
========================

  11>||- আমাদের চরুইভাতি, 2018-||
        <---আদ্যনাথ--->

আমরা SV2 এর সিনিওর সিটিজেন
আমাদের চারুইভাতি,
এমন ভাবনাই মনোরম অতি।
SV2 এর সিনিওর সিটিজেন,
এই একদিনেই খুঁজে পায়,
সারা বৎসরের অক্সিজেন।
এই একদিন আনন্দপূর্ণ হৃদয়ে,
মুক্ত আকাশের নীচে,
যে যার মতন ভাবনায় ভেসে যায়।
সকল অতীতের স্মৃতি ভাবায়,
কতো কথা কতো গল্প বোলেজায়
একে অন্যের সাথে মিশে এক পরিবেশে,
সকল মন গুলি বুঝি হারায় আবেশে।

আমাদের 2018 পিকনিক স্পট
(30/12/2018)রাজা তালুকের
ডায়মন্ড ভিলেজে।
সাজানো গোছানো ভিলেজ।
আমরা সবাই অতিশয় ভাবুক।
যারা কিছু ভাবছে তারা ভাবুক
তারাতো দেখেনি রাজা তালুক,
ডায়মন্ড হারবারের নদীর পাড়ে
অতি সুন্দর মনোরম তালুক।

আমরা সবাই একদিনের রাজা,
রাজা নাই, আছে তাঁর তালুক,
আমরা গিয়েছিলাম সেই রাজা তালুক।
SV2 এর সিনিওর সিটিজেনদের
চুরুইভাতি এমনি চলছে চলুক।
এমনি ভাবনা সোজা কথা নয়,
কর্মিষ্ট কর্তৃবর্গ কে ধন্যবাদ দিতে হয়।
কাকেদেব ধন্যবাদ সবাইতো আপনজন,
তাই জানাই শুভেচ্ছা দিয়ে প্রাণ মন।
আগামী বৎসরে ও থাকে যেন এমনি মন,
এইটুকু করেন স্বীকার আমার নিবেদন।
ভুরি ভোজ ভালই হোল,
তবে আমার মতন পেটুকের,
মটন টাই ডোবাল।
সকল কিছুই ঠিক ছিল,
কেবল মটনটাই লিমিটেশন ছিল।
একমাত্র ওই মটনে লিমিটেশন,
মেনেনেওয়া কঠিন ভীষণ।
কি আর করি একটু ভেবেছিলাম,
শেষে বাগচী বাবুর থেকে ভাগ বসালাম।

জানি লোকে ছি ছি করবে,
কিন্তু আমার লোভটা ওতো
সামলাতে হবে।
সব সামলে যা পেলাম তাই খেয়ে,
একটু খোশ গল্প রোদে বসে।
তারপরে গরম জলে ঠোঁট ভিজিয়ে,
রওনা দেবার জন্য নিলাম গুছিয়ে।

এবার আবার তিন ঘণ্টা বাসে
হেলতে দুলতে ঝাকুনি সয়ে বসে।
চলতে হবে আমদের নিজের ঘরে,
এই স্মৃতিটুকু থাকবে মনে।

<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী -->
【-30/12/2018--】
【=দুপুর :04:02:22=】
【=রাজা তালুকের ডায়মন্ড ভিলেজে।】
=========================

  12>|| "পিকনিক সহ কোলকাতা দর্শন" ||

এবারের পিকনিকের আকর্ষণ
প্রথমে উপোষ মাঝে ভোজন
সবশেষে কোলকাতা দর্শন।
এমন অভিজ্ঞতা হয় নি কখন।
এক ঐতিহাসিক ভোজন,
যেমন তেমন নয় গো ভোজন
তিন ঘন্টার ভেতর
চা, নাস্তা,টিফিন,স্ন্যাকস,
পরেই পেট পুরে লাঞ্চ
পেট তো সকলের একটা করে
এক সাথ সকল কিছু খাবে কিকোর।
তা যেমনি হোক খেতে হবে
খেয়ে পেট ঢাই ঢাই
রওনা দিতে হবে যে তাই ।
বাসের ঝাকুনি
ড্রাইভারের কেরামতি।
ফলে ভুলেই গেছি কি খেয়েছি।
পথে একটা করে কমলা লেবু
সকলে এমনিতেই ভীষণ কাবু।
অনেক বলেও জুটলনা একটু চা,
লেবুতে বাড়িয়ে দিলো পিপাশা
জলে মেটার নয় সে পিপিশা,
সকলের চাহিদা ছিলো একটু চা,
শুধুই চেল্ললাম,
হাঁ হাঁ করেও জুটলোনা চা।
এমন চড়ুইভাতি SV2 তে
হোয়নি কখনো।
চরুইভাতি সহ উপোষের মোহোড়া
সকলের শেষে কোলকাতা ঘোড়া।
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
রাত্রি 09 টা 30মিনিট

【-30/12/2018--】
【=রাত্রি:09:30:20pm=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】

=================

   13>আমাদের পিকনিক,2018,

আজ আমাদের পিকনিক,
হালিশহরে জমেছিল ভালো।
সকলে আনন্দ করেছি প্রাণ খুলে,
আমরা আমাদের গিন্নিদের সাথে করে।
করাইশুঁটির কচুরি,আলুরদম,চা, পকরা,
ভাত,সুক্ত,মুগের ডাল, দেগুনী,ভাজা করা।
পাবদা, আর,মটন কষা, সাথে পাপর চাটনি,
মিষ্টি রসগোল্লা দুই বেলা দিতে ভোলেনি।
সকলি জমেছিল ভাল, সবাই ছিল আনন্দে,
কিন্তু আমাদের হিরো দামদা ছিল নিরানন্দে।
বৌদিকে নাতনির পরিচর্যায়,ফেলেরেখে ঘরে,
একা করছিল আনন্দ বহুকষ্টে মনের জোরে।
বোঝাযাচ্ছিল দেখে দামদার মুখ,
পিকনিকে গিন্নি ছাড় হয় না সুখ।
শেষটায় অজুহাত দিয়ে ছেড়ে আমাদের সঙ্গ,
দামদা জানি পালালেন রণে দিয়ে ভঙ্গ।
হৃদয়ে অনেক ব্যথানিয়ে শেষে দামদা জানায়,
বুঝলাম বউকে ছেড়ে পিকনিক কি মানায়।
কিআর করি আমি ব্যথিত হৃদয়ে,
সকলকে জানাই আমার শ্রধ্যাদিয়ে।
এমনভুল জেন না করেন কেউ পিকনিকে,
গিন্নি ব্যতিরেকে জমেকি এই শীতের দিনে।
ফেরার পথে চা,পকরা খেয়ে,
বাসে উঠলাম কমলা লেবু নিয়ে।
শুরু হল আমাদের যে যাত্রা চা দিয়ে,
শেষ হল ওই সুমিষ্ট কমলা লেবু দিয়ে।
মনে থাকবে10/01/2018র পিকনিক খানি,
SV-2 এর সিনিয়র সিটিজেন দের জানি।
তবুও বলবো আগ্রহ করি সকল সদস্যজনে,
আগামী বৎসর যেন এমনি উৎসাহ থাকে মনে।
সকলের শেষে জানাই অশেষ ভালবাসা,
এই পিকনিকের উদ্যোক্তাজনে।
বর্মন দা, বাগচি দা, চক্রবর্তী দা,
এবং সকল সদস্য জনে।
   <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
|         -10/01/2018-----------------||
||========================

    14>|| আসন্ন বনভোজের ভাবনা ||
           <------আদ্যনাথ----->2025
আগামী মাঘের শীতে আমাদের পিকনিক হবে,
সেই আনন্দ শিহরনে মন অনেক কথা বলে।
আমরা শ্যামবিহার ফেজ2 এর সিনিয়র সৈনিক।
দেখাযাক কেমন জমে এবারের পিকনিক,
জানুয়ারির আঠারো তে হবে চড়ুইভাতি,
মনে করি সকলের যোগদেওয়া জরুরি অতি।
এ-হেন পিকনিক আমাদের সারাবৎসরের  অক্সিজেনের ঠিকানাটি সঠিক।
এমন পিকনিকের ভাবনাই মনোরম অতি,
তাইতো আমরা সকলে একদিন আনন্দে মাতি।

এই  ক্ষনিক আনন্দের আশ্বাস,
যেন খোলা মনে বুক ভরে নেওয়া শ্বাস।
বনভোজ মাঘের শীতল বাতাসে,
মন চাইবে হয়তো একটু হারিয়ে যেতে।
মুক্ত আকাশের নীচে নিজেকে খুঁজে পাওয়া,
ঠিক যেন প্রকৃতিকে একটু জড়িয়ে ধরা।
যে যার মতন ভাবনায় ভেসে যাওয়া,
ক্ষনিকের অতীত স্মৃতি খুঁজে পাওয়া।
কতো কথা কতো গল্প স্বপ্ন আবেশে,
একে অন্যে মিশে এক পরিবেশে,
সকল মন গুলি বুঝি হারায় আবেশে,
কিছু সময় কিছু আনন্দপূর্ন পরিবেশে।

মনে পড়ে ছোট বেলা, সেই মুক্ত আকাশ, খেলার মাঠ, আনন্দের আশ্বাস,
সেদিন স্বপ্ন ছিল উন্মুক্ত, বাঁধনহীন,
জীবনটা ছিল সীমাহীন রঙিন।
আমরা বোধহয় একটু ভাবুক,
যারা কিছু ভাবছে তারা ভাবুক।
SV-2 এর সিনিয়র সিটিজেন দের জানি।
তবুও বলবো আগ্রহ করি সকল সদস্যজনে,
আসন্ন মাঘের পিকনিকে 
যেন পূর্ন উৎসাহ থাকে সকলের মনে।
আজকের আনন্দ উৎসাহ বুঝি,
নিতান্ত ভবিষ্যতের হাতছানি,
তাইতো বারবার অনুরোধ করি,
সবকাজ পরেহবে আগে বনভোজনটি সারি।
  <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->
         13/01/2025:-1:30am
=========================

15>|| SV2-সিনিয়রদের বনভোজন 2025  ||
           16/01/2025-বৃহস্পতিবার।
           <------আদ্যনাথ----->
হলেও আমরা সিনিয়র সিটিজেন,
আমাদের প্রাণ ভরা আছে আনন্দের অক্সিজেন।  
শীতের সকালে দাঁত কপাটি,
আমরা মিলেমিশে আছি পিরিপাটি।
চড়ুইভাতির আনন্দে  সকলে বিভোর,
আমরা সকলেই আপন কেউনয় যে পর।

চড়ুইভাতি এক আনন্দের শিহরণ ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক সুন্দরমনের মিলন ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক সকলকে কাছে পাওয়ার ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক হারিয়ে যাওয়া ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক মনকে সতেজ রাখার ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক সকল বিভেদভোলার ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক বর্ষ মিলন উৎসবের ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক মনকে ভালোবাসার ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক নুতন বৎসরের নূতন পরশের ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক সকল দুঃখকে ভুলে থাকার ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক প্রকৃতিকে জড়িয়ে ধরার ক্ষণ,
চড়ুইভাতি এক মনেপ্রাণে শিশু হবার ক্ষণ।

প্রতিবৎসর এমনই শীতের শীতল পরশে,
আমাদের পিকনিক জমেওঠে হরষে,
আমরা সিনিয়র আজ বয়সের কলে,
মনেপ্রাণে আমরা চির-যুবক সকলে।

আমরা চির-যুবক দুরন্ত মনের ইচ্ছা শক্তি,
আমাদের দেহে মন-বলে অফুরন্ত শক্তি,
আমরা বয়ঃবৃদ্ধ যুবক সময়ের তালে,
মনে প্রাণে তুরীয় আনন্দ প্রকৃতির বলে।

আমাদের সাথে আছে গৃহিণী সকলে,
ওনাদের অফুরন্ত আনন্দ যেন দ্বিগুন মনবলে,
ওনাদের নিত্য নুতন সুন্দর ভাবনা গুলি,
নিত্য দিনের নানা পরিকল্পনার ফুলঝুড়ি।

ওনাদের মনবলের কারিকুড়ি,
ভুলিয়ে দেয় আমদের বয়সের বেড়ি।
রোজের আড্ডায় ওনাদের ক্রিয়েটিভ ভাবনা সঠিক,
ওনারা সদাই সচেতন নিজেদের রাখতে ফিট।

সময়ের তালে ওনারা নিজেদের মানিয়ে চলে ঠিক,
সদাই হাস্য মুখে নিজেদের ভাবনা রাখে সঠিক।
আজকের ব্যস্ত ডিজিটাল জীবনে,
ওনারা নিশ্চিত সফল কর্মনিপুনতার কারণে।

রোজ আমাদের আড্ডা চলে এক ছাদের তলে,
আমরাও হয়েউঠি সতেজ তিলে তিলে।
আমাদের রোজ সান্ধ্য আড্ডায় কারণে,
শ্যাম বিহারে আনন্দের ঢেউ বয়ে চলে।

আমাদের পিকনিক যেন আনন্দের তুবড়ি,
আমাদের আনন্দের নাই কোন বাড়াবাড়ি।
সকলে এক সাথে চা ও স্নাক্স খাওয়ায় ব্যস্ততা,
চড়ুইভাতির মেজাজটাই যেন আলাদা।

আমাদের শ্যাম বিহার ফেজ2 এর পিকনিক,
প্রতিবৎসরের মতন এবৎসরও জমে উঠেবে ঠিক।
আমাদের পিকনিক বয়সকে ভুলে যাবার দৃষ্টান্ত,
চড়ুইভাতি বৎসর ভর মনকে চির-সবুজ রাখে একান্ত।

পিকনিক এক সুন্দর মনে চির-সবুজ থাকার ঠিকানা,
আমাদের সিনিয়র সিটিজেনদের পিকনিকের নাই কোন তুলনা।
আমাদের শ্যাম বিহার ফেজ 2 এর পিকনিক,
বৎসর ভর আমাদের রাখে সতেজ ফিট।
      <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
            16/01/2025;; 8:30am
===========================

16>|| আগামীকাল আমাদের পিকনিক ||2025
           <------আদ্যনাথ----->
জাগো জাগো জাগো সব জন,
শ্যাম বিহারের সিনিয়র সিটিজেন,
আগামী কাল হবে আমাদের পিকনিক,
এমনটাই নিশ্চিত হয়েছে ঠিক।
আমরা রওনা হবো ঠিক 7:45: সকালে,
নিশ্চিত এমনটাই মনে রাখবেন সকলে।
বাস হাজির থাকবে ব্লক 2 এর সামনে,
নয়তো অবশ্যই থাকবে গেটের বাহিরে।

বড় গাড়ি বলে গেটেঢোকা মুশকিল হলেও হতে পারে,
তাই আমাদেরও কিছু সহায়তা করতে হতে পারে।
তা গাড়ি যেথায় থাকুক ,সকালে একটু হাঁটা তো হবে,
আমাদের পক্ষে একটু হেঁটে শরীর চাঙ্গা রাখতে তো হবে।
পিকনিক মানে তো একটু ভুঁড়ি ভোজ,
একটু মেনেও নামানা ডাইটিং রোজ।
রোজ রোজ কি সব মেনে চলা চলে!
একদিন অনিয়ম হলে কি আর হবে!

জানিনা কিবোলবে যারা ডাইটিং করে!
ডাইটিং হোক ভুঁড়ি ভোজ টিও যেন হয় আনন্দ করে।
শীতের ভুঁড়ি ভোজ, এমন কি আর হয় রোজ রোজ,
একটু একদিনের বে-নিয়মের কে আর করে খোঁজ!
যে রাখে রাখুক ডাইটিং এর বেড়ি শৃঙ্খল,
আমরা কিন্তু খাবার ব্যাপারে মোটেই নয় উৎশৃঙ্খল।
পিকনিকে খেতে বসে পেট পুরে খাবো,
খাবার পরে আনন্দে লুটো পুটি হবো।
বৎসরে একদিন কি হবে যদি না মানি মানা!
এমন স্বাদের ভোজন আধপেটা খাওয়াও মানা।
খেতে হবে আনন্দ ও ফুর্তিও হবে মনের মতন,
বৎসরে সবদিন চলে কি রোজের মতন!

সব নিয়ম কানুন ঝেড়ে ফেলে না হয় একদিন,
সকলে মিলে আনন্দে দিনটিকে লুটিয়ে দিন।
এমন আনন্দ তো রোজ আর হয়না
মনের অনেক কথাও রোজ বলা যায়না।

রোজ নামচা যেমন চলছে তেমন চলুক,
একদিনের হাসি ঠাট্টায় মন প্রাণ খুলে কথা বলুক।
শরীর টাকে রাখতে স্বতেজ ফিট,
না মেনেও অনেক থাকতে হবে ঠিক।

সর্ব রোগের সেরা ঔষধ আমি জানি,
সকাল সন্ধ্যা প্রাণখুলে হাসুন একটু খানি।
হাসির চাইতে শ্রেষ্ঠ ঔষধ আর কিছু নেই,
দুইবেলা হাসুন তাতে লজ্জার কিছু নেই।

হাসুন আর সুস্থ থাকুন আনন্দ মনে
রোজ অবশ্যই নিজের সুস্থতা মানতে হবে,
নিজে মানলেই শরীর মানবে সকল বাঁধা,
সুস্থ থাকার এইটুকুই একমাত্র গোপন কথা।

পিকনিকের ঘন্টা বাজলো,
শীতের  শিহরণে মন জাগলো,
পিকনিকের আনন্দে কোমর বাঁধলো,
আনন্দের উৎস আনন্দে মন ভরলো।

সকলে আনন্দ করে সেজে উঠুন,
ঈশ্বর সকলকে সুস্থ্ রাখুন,
হেসে খেলে আনন্দে কাটুক দিন,
সব ভুলে নিজেকে প্রকৃতির সাথে বিলিয়ে দিন।

আজ আর নয় থামছি এবার,
পিকনিকে জন্য মনকে সাজান আবার।
মন সাজলেই শরীর সাজবে রোগ-বালাই
যাবে দূর।
কি-হবে বেশি ভেবে, আনন্দে থাকুন ভরপুর।
   <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
    17ই জানুয়ারি 2025 সকাল 8:29am
         3 মাঘ 1431সন, শুক্রবার
==========================
17>|| 2025 আমাদের পিকনিক ||
              (প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব)

       (প্রথম পর্ব)
শুন শুন শুন শ্যামবিহার ফেজ2 বাসী গন
শুন দিয়া মন,
আমাদের পিনিকের বিবরণ করিতেছি বর্ণন।
এবারের পিকনিকে ছিলাম 35 জন,
পিকনিক জমেছিলো  মনের মতন।

মাচিভাঙা কলকাতা 135 তে
জানো নিশ্চই এক অর্গানিক ফার্ম আছে,
টোনা নামে তারে সর্ব জনে জানে,
আসলে বাও-ডাইভার্স ফার্ম বলে মানে।

আমাদের পিকনিক স্পট ছিল সেই টোনাতে,
সকলের মান্যতাতে,
ভালোই ছিল সবকিছু  হবে মানতে।
ফার্মের সৌন্দর্য ছিল মনের মতন,
আপ্যায়ন ও খাওয়াতে ওরা করেছে অধিক যতন।

সিনিওর সিটিজেনদের চারুইভাতি,
এমন ভাবনাটাই মনোরম অতি।
সকলে মিলে মিশে একদিনের আনন্দ,
সকলের মনে জাগে এক অনাবিল ছন্দ।

আমরা সকলেই সিনিওর সিটিজেন,
এভাবেই খুঁজেপাই সারা বৎসরের অক্সিজেন,
মাঘের শীতে আমাদের চড়ুইভাতি,
নুতন বৎসরের আনন্দ মিলন প্রীতি।

আমাদের বাস ছাড়লো একটু দেরিতে,
দেরি হলেও বাস ছাড়লো 8 টা 25 মিনিটে
বাসে মিনা দি দিলেন চকোলেট সবার
হাতে হাতে,
চকোলেট খেয়ে আমরা সকলে রাজার মেজাজে।

একে অন্যের সাথে মিশে এক পরিবেশে,
সকল মন গুলি বুঝি হারায় আবেশে।
ফার্মে পৌঁছে সবুজের সমারোহে মন জুড়ালো,
সকালের সুন্দর ব্রেকফাস্টে পেট জুড়ালো।

কড়াইশুটির কচুড়ি, ফুলকপির বাহারী,
ডিম সেদ্ধ, জয়নগড়ের মোয়া,নানান অর্গানিক সস ও চাটনি।
সাথে অর্গানিক চা ও লাল চা।
ঔষধি চা-পানে শরীর মন সুস্থ ও সুন্দর অনুভূতি।
সেই চা পানের আনন্দ কিকরে ভুলি!
তারপরে ভেজ ও চিকেন পকড়া ও কফি।
যেমন আইটেম তেমন স্বাদ সে কি আর বলতে,
খাবারের জল ছিল সিলকরা বোতলেতে।

দুপুরের ভুঁড়ি-ভোজ-তো নয় ছিল মহা ভোজ মেনে নেওয়া,
কড়াইশুটি মিশ্রিত ভাত যেন গরম ভাতে সবুজের ছোঁয়া,
ফুলকপি দিয়ে ডাল সাথে ঝুর ঝুড়ি আলু ভাজা।
কাতলা মাছের সুস্বাদু কালিয়া,
সত্যই নিজের আজান্তে মন নিয়েছে কারিয়া।
বন্ধ করেছে সব কথার বুলি বোল,
কারন ছিলো কচিপাঠার মাংসের অপূর্ব ঝোল।

শেষে চাটনি, পাঁপর, ও মিষ্টি দই।
সুন্দর পরিবেশের না পাই থৈ।
নিরামিষাশী দের জন্য ছিলনা ভাবনা,
পনিরের তরকারি ও ধোকার ডালনা।

বিকেলে বিদায়েরকালে আদরকরে,
চা বিস্কুট দিয়েছে ফ্লাক্সে করে,
যেটুকু হোল ভালোই হলো সকলে মিলে,
শেষে ফার্মের প্রোডাক্ট কিছু সকলেই নিলেন কিনে।
এরপরে ঘরে ফেরা,

     <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>
               18/01/2025 ;;
           টোনা অর্গানিক ফার্ম,    
'TONA' Organic Farm
(Bio-Diverse Farming Pvt. Ltd)
P.O:-Village TONA Machibhanga
West Bengal:-700135
Mob:-9830096686

Board of Directors of the Farm:---
Nirmalya Ghosh.:-CEO.
Dr. Sudeep Roy.:-Chairman.
Dr. Sonali Sengupta.:-Founder Director & Chief Scientist.
Uday Bhanu Roy.:-Founder Director & Chief Innovator.
==========================
■■■■■■■■■■■■■■■■■■■

     || 2025 আমাদের পিকনিক ||
             <-------আদ্যনাথ ------>
       (দ্বিতীয় পর্ব)
পিকনিক আমাদের বাৎসরিক মিলন ক্ষণ
পিকনিক সকল দুঃখ জয় করার ক্ষণ।
এভাবেই চলছে চলুক আমাদের মনরঞ্জন,
বয়ঃবৃদ্ধ আমরা সদা যুবক সঞ্জীবন।

বনভোজন ক্ষনিক মনের জতন,
উদার হৃদয়ে হর্ষ বদনে আনন্দিত মন,
সকলে উল্লসিত কর্মব্যস্ত নিজের মতন,
এমনি করেই সুন্দর হয়েওঠে বনভোজন।

আনন্দপূর্ণ হৃদয়ে মুক্ত আকাশের নীচে,
সারাটা দিন,
যে যার মতন ভেসে যায় ভাবনায় সারা দিন।
অতীতের স্মৃতিগুলি বোধ হয় ভুলেজায়,
মন কতোকথা কতোগল্প বলেজায়

মাঘের শীত ও মিষ্টি রোদেও ছায়া,
শীতের মেজাজ বাড়ায় উত্তরের হওয়া।
শীতল স্মৃতিরোমন্থনে একটু নিরালা,
সকল বন্ধুর সাথে কিছু ভুলে যাওয়া।

রৌদ্র স্নানে প্রাণ খুলে মনের কথা বলা,
এভাবেই কিছুক্ষন হারিয়ে যাওয়া।
আহাঃ অপূর্ব 'টোনা' ফার্ম হাউসের আঙ্গনে,  
আমরা জুটেছি চড়ুইভাতির আনন্দক্ষণে।

গত দুই মাস ধরে চলছিল সাজ সাজ রব,
আজ আমরা আনন্দ পূর্ন পরিবেশে মুখর,
বৎসর ভর চলবে আজকের  স্মৃতিমন্থন, চড়ুইভাতি এক নির্মল আনন্দের শিহরণ।

চড়ুইভাতির আনন্দস্মৃতিই এমন,
শীতের পরশেই পিকনিকে টানেমন,
বৎসরভর নানাচিন্তা,অনেক কথার পরে,
স্থির হয় আবার আমাদের পিকনিক হবে।

পিকনিক/চড়ুইভাতি হয় বনভোজন,
খাবারের আইটেম যখন হয় মনের মতন।
বনভোজন হোক বা চড়ুইভাতি,
সুন্দরপরিবেশে ভোজনের আনন্দ অতি।

সকলে  একসাথে আনন্দে মাতা মাতী,
শীতের বনভোজনের এমনই রীতি।
শীতের ছোঁয়ায় কন-কনি লাগে যখন,
আনন্দের বনভোজন জমেওঠে তখন।

শীতের পরশে প্রকৃতিকে করতে আপন,
আনন্দে-মেতেওঠেই বনভোজনের কারণ।
এতো সেই-পুরণ দিনের পিকনিক নয়
যে হাতপুড়িয়ে নিজেদের রান্নাকরতে হয়।

আজ তো সর্বত্র ডিজিটাল বনভোজন,
রান্নার ঠাকুর করেন রান্না অর্ডারের মতন।
আমরা আনন্দেমাতি পরিবেশের সাথে,
খাবার সময় সকলে বসি একসাথে।

খাবারের ফিরিস্তি আগেই তো দিলাম,
আনন্দ-ঘন-চিত্তে মনের কথা টুকুই লিখলাম।
যদিও ভোজন না হলে পিকনিক জমে না,
কিন্তু পিকনিকে না হয় যেন মানসিক উত্তেজনা।

পিকনিক এক আনন্দের ঠিকানা,
এবার আগামী বৎসরের প্রস্তাবনা।
প্রতিবৎসর নুতন উৎসাহের জল্পনা,
পিকনিক এক মিলনানন্দের ভাবনা।

আবার শুরু হোক  আলাপ-আলোচনা,
আগামী বৎসরের আবার নুতন কল্পনা।
এভাবেই শুরুহবে আমাদের পরিকল্পনা,
আজথেকেই শুরু হোক নুতন প্রস্তাবনা।

কত চাওয়া না পাওয়ার হাসি কান্না,
বৎসর ভরের রোগ জ্বালা যন্ত্রনা। ক্ষনিকের ভুলেজাওয়া স্খলিত চেতনা,
প্রকৃতির খোলা হওয়ায় নুতন ভাবনা।

এভাবেই কিপনিকের ঐতিহ্য চেতনা
পিকনিক মানেই মেলবন্ধনের ঠিকানা।
পিকনিক যেন  শীতের পরশ মনি,
পিকনিক সকল বয়সের আনন্দের খনি।

সত্যিই পিকনিক যেন আনন্দের ঠিকানা,
এবার আগামী বৎসরের প্রস্তাবনা।
প্রতিবৎসর নুতন উৎসাহের জল্পনা,
পিকনিক এক মিলনানন্দের ভাবনা।

     <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>
               18/01/2025 ;;
           টোনা অর্গানিক ফার্ম,    
========================


   18>|| আমাদের পিকনিক ||
         <----আদ্যনাথ--->
পিকনিক পিকনিক,
মনে শিহরণ জাগে ঠিক ঠিক,
বৃদ্ধ বয়সেও মন করে চিক মিক
ফোঁকলা দাঁতের হাসি ফিক ফিক।

শনিবার হবে আমাদের পিকনিক,
দিনভর মুক্ত হওয়ায় থাকব ঠিক।
সবুজ ঘাসে বাগানের মাঝে,
সকলের মিলে একটু মজা বুঝেসুঝে।

কলা পাতায় পাত পেড়ে বসে
একসাথে খাবার নানান ব্যঞ্জনে।
দিন ভর মন করবে খাই খাই
পিকনিকে সবকিছু খাওয়া চাই।

আমরা সিনিয়র সিটিজেন কজন
বৎসরে একবার মিলি যখন।
আনন্দের বাঁধভেঙে পিকনিকে,
নুতন করে ফিরে পাই যৌবনকে।
        <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=========================
19>||স্থগিত পিকনিক 2022 ||
                         <---আদ্যনাথ--->

এমন পরিস্তিতে পিকনিকের শখ থাকা,
নিজেই নিজের ডেড সার্টিফিকেট লেখা।
উচিত ঘরে বসে আনন্দে,সুখে থাকা,
ভালো মন্দ কিছু রান্না করে খাওয়া।

পিকনিক না হলে কি এসে যায়,
পৌষের শীতে পিঠে পুলি খেতে মন চায়।
পিকনিকে তো খাওয়া হতোও মাংস ভাত,
তারচেয়ে ভালো পিঠে পুলির স্বাদ।

তাই মন মরা হয়ে আফসোস নয়,
মনে খুশি আর আনন্দ নিয়ে থাকতে হয়।
আমরা যদি আরও একটু সচেতন হতাম,
তাহলে নিশ্চই করোনার থেকে রেহাই পেতাম।
        কিন্তু ভায়া!!!
আমরা নিজেরাই নিজেদের পায়ে মারছি কুড়াল,
আজও পথে পুলিশ আটকাচ্ছে আর বলছেন::--
""PLEASE WEAR MASK.
       প্লিজ মাস্ক পড়ুন""
কিন্তু আমরা বীরপুরুষ বিশাল,
আমাদের ভাবনার ও বিশাল।
ভুগবো,অসুস্থ হবো,মরবো
তবুও মানবোনা কোন মানা,
করোনা যতই দিকনা কেন হানা,
আমরা মানবোনা কোন মানা।

ভেঙেদে কররে লোপাট---
পুলিশের ওই বেরিকেটের কপাট।
আমরা মাস্ক পোরবোনা ভাই পোরবোনা।
আমরা কোন বাধাই মানবো না।

এবার ডিসেম্বরের উৎসবের শেষে,
গঙ্গাসাগরে দিচ্ছি হানা,
আমরা মানবোনা কোন মানা।
        আমরা ভুলছি---
করোনা এখন নয় সাধারণ,
করোনা এখন ভয়ঙ্কর ওমিক্রন।
শিশুদের জন্য নাকি ভীষণ ভয়ের কারণ,
বাড়ন্ত নানান রোগের কারণ।

তাই মাস্ক ব্যবহার না করলে
মরবোই অযথায় বেয়াদবির কারণে
আর এ শুদু নয় বেয়াদবি অকারণে,
এযে ধৃষ্টতা, ঔদ্ধত্যের বাড়া বেহায়াপনা।
                <---আদ্যনাথ--->
======================

20>|| আমাদের 2023এর  পিকনক  ||
                  <---আদ্যনাথ--->
SV2 আমাদের 2023এর পিকনিক
সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হোল ঠিক ঠিক।
৭ জানুয়ারি ২২ সে পৌষ শনিবার
শীতের সকালে পৌষী প্রতিপদ তিথিতে,
পল্লিনিকেতন,সপ্তগ্রাম,রাজারহাটে,
মেয়েদের উৎসাহ ছিলো দেখার মতন
ছেলেদের যেন ঘুমেতেই ছিলো যতন।
দীর্ঘ লকডাউনের পরে এই পিকনিক
খাবার মেনুও ছিলো সুন্দর ঠিক ঠিক।

ইচ্ছা পূরণের এই পিকনিকে সবাই ধন্য
সেই কথা টুকুই লিখলাম সবার জন্য।
ভালো থাকুন সুন্দর থাকুন সকলে,
আগামী বৎসরের জন্য কোমর বাঁধুন সকলে।

আবার হবে আমাদের পিকনিক,
নিশ্চই সকলেই সুস্থ থাকবেন ঠিক।
দুস্থ থাকা খানিকটা মনের ব্যাপার,
আজ একটু আনন্দই বিশেষ ব্যাপার।

বৃদ্ধ বয়সে শরীর ও মন জুড়ে অবসাদ
পিকনিকেই পাওয়া যায় নুতন স্বাদ।
বাঁচতেতোহবেই একটু খুশিতে
একদিনের নাহয় বাঁচি একটু হাসিতে।

হাসি আর খুশি জীবনকে কিছু শেখায়,
দুঃখের দিনে অনেক কিছুই বোঝাযায়।
তবুও হাসতে হবে বুঝতে হবে জীবনকে,
এনেক হারিয়েও খুঁজে নিতে হবে নিজেকে।

এভাবেই চলবে জীবন,
খুঁজে নিতেহবে আনন্দ ভুবন,
সময় চলেগেল পাবনা কিছুই,
মনের শান্তি খুঁজি নিজেই।

শ্যামবিহারে আমাদের পিকনিক
আড়ম্বর ছাড়াই বিচার সঠিক।
সকলেই সিনিয়র বয়সের ভারে,
আমরা খুঁজি আনন্দ প্রকৃতির মাঝে।
    <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=========================
21>|| শ্যামবিহার ফেজ2 পিকনিক
                        2023 ||
                     <---আদ্যনাথ--->
      2023/4 জানুয়ারি শনিবার দিন
শ্যামবিহার ফেজ2 এর আমরা কজন
মিলে মিশে করলাম পিকনিক।
পিকনিক স্পট ছিল
পল্লিনিকেতন,সপ্তগ্রাম,
পল্লিনিকেতন হোস্টেল ফর রিফ্রেসর কোর্স।
পো::--বাগু--রাজারহাট--উত্তর 24 পরগণা,
কোলকাতা ৭০০১৩৫.

আমাদের অনের স্বপ্নের পিকনিক,
কত ভাবনা চিন্তা,
কত গবেষণা,
সকলকে মিলনের ভাবনা---
কানুনগো দা উৎসাহী একজন
যোগ দিতে পারলেননা, এটাই দুঃখের কারণ।
আরও কিছু আমাদের সাথী
অনেকেই শারীরিক কারণে উপস্থিত থাকবেননি।
কেউ বয়সের ভারে,
কেউ অসুস্থতার কারণে,
কেউ অন্য কোন বিশেষ কারণে।
তবে সকলের প্রতি আছে শুভেচ্ছা
আমাদের শুভ চেতনা ।
সকলে ভালো থাকুন,
সুন্দর থাকুন,
আগামী বৎসর আবার হবে।

সকলের কথাই ভাবছি এই শীতের সকালে
আশা করি আগামী বৎসর আবার হবে।
এহেন আনন্দের দিনগুলি মনে থাকবে,
আমাদের সকলকে এক সাথে চলতে হবে।
আগামী বৎসর আবার পিকনিক হবে।

পিকনিক এক আনন্দের মুহূর্ত,
       এক মিলনের মুহূর্ত,
  এক ভেদাভেদ ভুলবার মুহূর্ত,
  এক ভালোবাসার মুহূর্ত।

পিকনিক একটু পরিবেশ কে ভালোবাসা
কিছুসময় প্রকৃতির সাথে মিশে থাকা।
অনেক না বলা কথা বলে ফেলা,
নিজে সবার সাথে একটু ভালো থাকা।

পিকনিক মানে অনেক কিছু ভুলে যাওয়া
  কিছু সময় রোগ জ্বালা ভুলে যাওয়া,
  একদিন ওষুধ খেতে ভুলে যাওয়া,
  একদিন ছেলেবেলায় ফিরে যাওয়া।

পিকনিক কিন্তু নয় সেই বনভোজ,
বনভোজে ছিল আলাদা মাত্রা-
ছিলো উদাম উচ্ছাসের মাত্রা-
  ছিলো মিলে মিশে কাজের খোজ।

সেই একসাথে রান্না করা,
ঘরথেকে আলু তরকারি নিয়ে দৌড়,
সকলে নিজের কাজের দৌড়,
সেদিনের সেই আনন্দ উপভোগ করা।

আজ হারিয়ে গেছে সেই বনভোজ,
আজ নুতন কিছু পাওয়ার খোঁজ,
বন-নাই তাই পিকনিক স্পটের খোঁজ,
পিকনিকেও আজ কেটারারের খোঁজ।

আমাদের পিকনিকে ও ছিল কেটারার,
ছিলো ভেজ, ননভেজ খাবার,
ছিল একটু মিষ্টির জোগাড়,
ছিল একটু হার্ড ড্রিঙ্কের জোগাড়।
(হার্ডড্রিঙ্ক ছিলো পার্সোনাল)
তাই হার্ড ডিস নিয়ে কথা হবেনা আর।

কিপনিক হয়েছিল সুন্দর,
            কিছু মনের মতন,
হয়তো কারুর কোথাও ছিল একটু আপত্তি।
তবুও ঘটেনি তেমন কোন বিপত্তি।

সব ভালো যার শেষ ভালো
আমাদের পিকনিকের
শেষের পাকোড়া ছিল ভালো,
তাইতো শেষটি হয়েছিল ভালো।

আবার আগামী বৎসরের প্রতীক্ষায়
আমরা  সিনিয়র সিটিজেন সকলে
শ্যামবিহার ফেজ2 এর আমরা সকলে,
শুভেচ্ছা জানাই শীতের সকালে।
      <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=======================
  22> || ছোটবেলার চড়ুইভাতি ||
                          <--আদ্যনাথ-->
মনেপরে ছোটবেলার চড়ুইভাতি,
ভালোলাগার এক শ্রেষ্ঠ অনুভূতি।
সেদিনের সেই চড়ুইভাতির দিনে
সকলে মিলে মিশে ডিসেম্বরের শীতে,
কেউ আনতো সর্ষের তেল শিশিতে,
কেউ আনতো নুন কেউ আটা
আর কেউ আনতো মসলা বাটা।

সকলেই আনতো কিছু চাউল,
কেউ দিতো আলু,পিয়াজ,তরি তরকারি,
কারুর বাবা হয়তো দিতোএকটা মুরগি,
অনেক যত্নে রান্না করতাম মুরগি।

আমরা যেমন খুশি পারতাম,
সেইদিন নিজেরাই রান্না করতাম।
মনে আছে কোথাও অসুবিধা হলেই,
বাবার এসে ঠিক দিতেন শুধরে।

আমরা সকলে জড়ো হতাম,
কদিন আগে থেকে স্কুলে, খেলার মাঠে
জল্পনা চলতো সকলে মিলে একসাথে।
সকলের উৎসাহ কাজ বেছে নিতে,
হবে চড়ুইভাতি  একসাথে মিলে।
পুরোনো মিলের পেছনের গাছের নিচে,
31সে ডিসেম্বর বা 1লা জানুয়ারিতে,
শীতে রোদ পোহাতে পোহাতে।

ইট দিয়ে উনুন বানিয়ে,
রান্না করতাম কাঠ জ্বালিয়ে।
সেই রান্না শেষ করতেই বেলা হতো,
খেতে খেতে দুপুর গড়িয়ে যেতো।

সেই রান্না প্রচন্ড খিদের পেটে,
সবাই খেতাম অমৃতজ্ঞানে চেটে পুটে।
চড়ুইভাতির আসল ছিলো আনন্দ,
মিলে মিশে কাজ করা আর খাবার আনন্দ।
এমনি ছিল আমাদের শৈশব,
চড়ুইভাতি এক আনন্দের উৎসব।
         <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->
=======================


Comments

Popular posts from this blog

1118>|| ভূত চতুর্দশী/ নরক চতুর্দশী ||

1117>|| কার্তিক অমাবস্যা ||