11179> || ভ্রমন এক নেশা ||+ (1--9)
126/ 1> || ভ্রমন এক নেশা ||+ (1--9)
●2> || ভ্রমণ এক অহঙ্কার ||
●3> || ভ্রমণের স্মৃতি ||
●4> || প্রকৃতি সুন্দর রঙিন খোলাবই ||
●5>| সুখের সন্ধানে ভ্রমণ ||
●6>|| ভ্রমণের নেশা ||
●7>|| প্রকৃতির সাথে ||
●8>|| ভ্রমন পিপাসা ||
●9>|| ভ্রমণ মনের এক টনিক ||
========================
1>|| ভ্রমন এক নেশা ||
<---আদ্যনাথ---->
ভ্রমন এমন এক নেশা,
যে নেশা দেখায় নুতন দিশা।
মনের অতৃপ্ত বাসনার মাঝে,
একটু তৃপ্তি খুঁজে পাওয়ার আশে।
ভ্রমণে ক্রমে বাড়ন্ত উদ্দীপনার সৃষ্টি,
ভ্রমণেই ক্রমে বাড়ে প্রাণশক্তি।
ভ্রমণের স্মৃতি অবসর জীবন যাপনে,
বুক ভরে থাকে একান্ত আপনে।
ভ্রমন অবসর জীবনে শক্তির উৎস,
নুতন ভাবনা আর প্রকৃতির স্পর্শ।
শান্ত মনে জাগায় নুতন শক্তি,
বৃদ্ধবয়সে উৎকৃষ্ট ঔষধি ও মনের শক্তি।
ভ্রমণ অনেক অচেনাকে চেনায়,
বয়সের ভারকে ভুলতে শেখায়।
সাথে সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতা শেখায়,
চলার পথে বন্ধুকে চিনতে শেখায়।
ভ্রমণ জীবনে এক শ্রেষ্ঠ অধ্যায়,
একবার স্বাদ বুঝলে মন বার বার বেরিয়ে পড়তে চায়।
ভ্রমন এক অদ্ভুত ও শ্রেষ্ঠ নেশা,
অনেক দেখেও মেটেনা আশা।
প্রকৃতির মাঝে নুতন উচ্ছাসে,
নিজেকে ছড়িয়ে দেওয়া মুক্ত আকাশে।
ভ্রমণের মাঝে একটু প্রকৃতিকে চেনা,
সকলের মাঝে নিজেকে চেনা জানা।
প্রকৃতির মাঝে নিজেকে উপভোগ করা,
অজানাকে কাছে থেকে জানা।
একটু প্রকৃতির সাথে মিশে থাকা,
কিছু সময় নিরালায় থাকা।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
31/03/2025::--08:30am
========================
2> || ভ্রমণ এক অহঙ্কার ||
<---আদ্যনাথ---->
ভ্রমণ এক অহঙ্কার,
কিছু নুতন বন্ধু জুটিয়ে নেওয়ার,
মনের আবেগ ভাগকরে নেওয়ার,
কিছু ভালো লাগা, কিছু মানিয়ে নেওয়ার।
কিছু মনের কথা বলার,
কিছু ভাবনা ভাগকরে নেবার।
ভ্ৰমণ মনে কিছু স্বপ্ন দেখা,
কিছু সময় হারিয়ে যাওয়া।
কিছু পাওয়া আর কিছু নাপাওয়া,
নুতন ভাবনায় দোল খাওয়া।
আনন্দে যেটুকু খুঁজে পাওয়া,
সেইটুকুই স্মৃতি করে রাখা।
ভ্রমণ মানেই কিছু আনন্দ উপভোগ করা,
একটু খোলা হওয়ায়,হারিয়ে যাওয়া,
একটু একান্তে জিরিয়ে নেওয়া,
একটু নুতন কিছু খুঁজে নেওয়া।
ভ্রণের সার্থকতা নিজেকে খুঁজতে,
আগামী দিনগুলো-সুন্দর করে বাঁচতে,
একটু মিষ্টি হাওয়া, বুকে ভরে নিতে,
প্রকৃতির মাঝে খানিক উপভোগ করতে।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
======================
3> || ভ্রমণের স্মৃতি ||
<---আদ্যনাথ---->
ভ্রমন নুতন প্রেমিকার মনের মতন,
প্রেমিকা রূপে প্রকৃতিকে আদরজতন।
প্রেমে যদি হয় মনেরগোপনে একান্তে,
তবেই হৃদয় ভরে যায় অজান্তে।
ভ্রমণ এমনি এক মন মুগ্ধ কর নেশা,
আমৃত্যু ভোলা যায়না সে নেশা।
নিরালায় বসে কিছু ভালো লাগা
মনের গোপনে একটু উপভোগ করা।
ভ্রমণ অবসর জীবনের প্রকৃত আনন্দ,
কিছু সময় খুঁজে নেওয়া প্রকৃতির ছন্দ।
প্রকৃতির মাঝে নিজেকে খুঁজে পাওয়া,
থাকেনা কোন অপূর্ন, চাওয়া পাওয়া।
ভ্রমণ এক ভীষন ভাইরাস,
অনেক দেখেও মেটেনা আশ।
যে আক্রান্ত হন এহেন ভাইরাসে,
জীবন ধন্য মনে করে নিজেকে।
ভ্রমণে কিছু আবিষ্কার করা জরুরী নয়,
প্রকৃতির সৌন্দর্য মন প্রাণ ভরে উপভোগ
করাই শ্রেষ্ঠ কর্ম হয়।
অবসরজীবনে ভ্রমন,নুতন করে বাঁচা,
নুতন আশায় নুতন করে কোমর বাঁধা।
অর্থ সম্পদ যতই থাকনা কেন,
ভ্রমনের আনন্দ ফুরায়না কখনো।
ভ্রমনেই নতুন প্রাণশক্তি পাওয়া যায়,
কিছু পাওয়া কিছু খুঁজে নিতে হয়।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
26/03/2025:::07:12am
==========================
4>|| প্রকৃতি সুন্দর রঙিন খোলাবই ||
<---আদ্যনাথ---->
সমগ্র বিশ্বব্রহ্মান্ড ঘুড়ে দেখা একজন মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়,
তবে যেটুকু সম্ভব সেইটুকুই মন দিয়ে দেখে নিতে হয়।
ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখার চাইতে ঘরের বাইরের প্রকৃতির সাথে নিজেকে মিশিয়ে নেওয়া সহস্র গুণে শ্রেয় হয়।
প্রকৃতি এক সুন্দর রঙিন খোলা বই,
প্রকৃতিকে জানতে দুই চোখ খুলে পড়তে হবে সেই বই।
প্রয়োজন সুন্দর মানসিকতার সাথে,
প্রকৃতিকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতে।
ভ্রমণের নেশাগ্রস্ত মানুষ,
সর্বদা ভ্রমণকে প্রশ্রয় দেয়।
অলস মানুষ প্রকৃতিকে না বুঝে,
সর্বদা অযুহাত দেখায়।
ভ্রমণে প্রকৃতি নিঃস্বার্থ শিক্ষাদেয়,
মনদিয়ে দেখলে প্রকৃতির সৃষ্টি রহস্য জানাযায়।
মনের আনন্দে ঘুরে বেড়িয়ে যা শেখা যায়,
কোন পুস্তকই তার সমকক্ষ নয়।
ঘুরে বেড়ানোর মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের ক্লান্তি ও একঘেয়েমি দূর হয়,
মন সতেজ হয় এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়।
ঘুরে বেড়ানোও ভ্রমণের এক অঙ্গ,
যেখানে প্রকৃতি ও পরিবেশ দেয় সঙ্গ।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
========================
5> || সুখের সন্ধানে ভ্রমণ ||
<----আদ্যনাথ---->
প্রকৃতসুখ তো মনের ভাবনাতেই রয়,
সমাজের মাঝে সুখ তো খুঁজে নিতে হয়,
ক্ষনিকের সুখ হয়তো দিতে পারে কোন গানের সুর,
এক দিনের সুখ দিতে পারে মনোরম স্থানে পিকনিকের সুখ,
7/10 দিনের সুখ দিতে পারে ভ্রমণের সুখ,
দুইচার মাসের সুখ সম্ভব নুতন বিবাহ বন্ধনে,
জীবন ভরের সুখ দেবে সৎপথে প্রচুর অর্থ উপার্জনে এবং
উপার্জিত অর্থের সঠিক ব্যয়ে।
সুখ দুঃখ সকলেই ক্ষনিকের তরে,
মানুষ সুখের চিন্তায় দুঃখকেই মনে রাখে,
প্রকৃত সুখতো আত্মার প্রশান্তি এবং প্রতিদিনের মুহূর্তগুলোকে উপভোগ করার ক্ষমতা।
সুখ কোন বাহ্যিক লাভ বা দামি বস্তুতে সীমাবদ্ধ নয়—বরং এটি এক, মানসিক তৃপ্তি এবং নিজের বর্তমান পরিস্থিতির প্রতি সন্তুষ্ট থাকার এক গভীর অনুভূতি।
তাইতো ভ্রমণেই মেলে প্রকৃত সুখের সন্ধান
অথবা গভীর ধ্যান যোগে মহাজাগতিক শক্তির সন্ধ্যান।
ধ্যান যোগ, কর্ম যোগ, সকল যোগের মূলে মনযোগ রয়,
আর মনযোগ শুদ্ধ করতে ভ্রমণ জরুরি হয়।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->
27/10/2025 রাত্রি 12:06
===================
6>|| ভ্রমণের নেশা ||
<---আদ্যনাথ--->
ভ্রমণের নেশায় নষ্ট আমি,
প্রকৃতিকে কাছে পেতে ভ্রমণ করি।
যৌবনে ঘুরেছি বন,জঙ্গল, পাহাড়ে,
আজও ভ্রমণের নেশা তাড়াকরে।
মন আমার মুক্তো-আকাশ খুঁজে চলে ,
প্রকৃতির শোভা হৃদয়কে পূর্ণ করে।
প্রকৃতির লোভে লালায়িত যখন
বদ্ধ ঘরে থাকতে চায় কি আর মন।
ভাবনার অতীত প্রকৃতির শোভায়,
জাগরনে স্বপ্নে আমাকে লোভায়।
প্রকৃতির রূপে মন ব্যাকুল হলে,
মনে কি আর তখন অন্য বিচার চলে।
মাঝে কু-চিন্তা গুলি দুঃখকে টেনে আনে,
প্রকৃতি তখন নীরবে বিদ্রুপের হাসি হাসে।
প্রকৃতির নেশায় মত্ত আমি নষ্ট,
প্রকৃতির কোলেই আনন্দ খুঁজে পাই শ্রেষ্ঠ।
প্রকৃতি শিখায়েছে প্রেম বিলাইতে আনন্দ,
প্রকৃতিই যেন জীবনের সত্য পরমানন্দ।
আজও মেটেনি ভ্রমণের স্বাদ তেমণকরে,
যতই বেড়াই মনের ইচ্ছা ক্রমে বেড়েই চলে।
ভ্রমণ পিপাসু আমি নষ্ট,
সংসারকে চিনিনি স্পষ্ট।
প্রকৃতিকেও জানিনা স্পষ্ট,
প্রকৃতির ডাক শুনি স্পষ্ট।
দুয়ারে দাড়ায়ে প্রকৃতি ডাকে,
সদাই মনেহয় প্রাণ খুলে হাসে।
প্রকৃতি শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি ও ধ্বংস কর্মে লিপ্ত,
প্রকৃতির শোভায় বিশ্বভূবন মুগ্ধ।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
【--anrc-29/06/2019--】
【=সকাল:05:08:22=】
【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=======================
7>|| প্রকৃতির সাথে ||
<---আদ্যনাথ--->
মন সর্বদা আনন্দ খুঁজে চলে ,
হৃদয় সকলকে আহবাহন করে।
বুদ্ধি সদাই বিচার করে চলে,
কু-চিন্তা গুলি দুঃখকে টেনে আনে।
প্রকৃতি যেন তার সৌন্দর্য বিছিয়ে,
বারে বারে মানুষকে আহ্বাহন করে,
মানুষ নিজের অহংকারে,
প্রতিনিয়ত প্রকৃতিকে ধ্বংস করে।
আমরা কবে মানুষ হবো,
প্রকৃতির সহায়তায় হাত বাড়াবো,
সকল সৃষ্টি কে ভালোবাসবো,
সানন্দে প্রকৃতিকে ভালোবাসবো।
প্রকৃতির কাজ প্রকৃতি করে,
জীব জগৎ কে রক্ষা করে
মানুষের কল্যাণ করে,
মানুষই প্রকৃতি কে অবহেলা করে।
মানুষ ঘরের বাইরে প্রকৃতিকে খোঁজে,
পাহাড় জঙ্গলে প্রাণখুলে হাসে।
ভ্রমনের উদ্যেশ্যে আনন্দে মাতে,
মনে প্রানে প্রকৃতিরকে কাছে পেতে।
তবুও মানুষ কেন অবুঝ হয়ে,
বারে বারে প্রকৃতিকে ধ্বংস করে।
যে বৃক্ষকুল সর্বদা প্রাণকে বাঁচায়,
মানুষ সেই বৃক্ষকে ধ্বংস করতে চায়।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=======================
8>|| ভ্রমন পিপাসা ||
<---আদ্যনাথ--->
ভ্রমন সুস্থ সুন্দর মনের পিপাসা,
যে পিপাসা জাগায় ভ্রমণের নেশা,
দেখতে শেখায় প্রকৃতির রূপ রং দিশা,
ভ্রমনে পূর্ন হয় মনের গোপন আশা।
বিশ্বপ্রকৃতি ও মানব জীবন আনন্দ ময়,
দুঃখ কষ্ট তো আনন্দের বিপরীতে রয়,
দুঃখ অনুশোচনা বিলাপ সাময়িক হয়,
মনে সদা দুঃখের বোঝাবওয়া উচিত নয়।
প্রকৃতি কত সুন্দর এই বিশ্বজগতে,
সেতো রোজ সাজিয়ে রাখে নিজেকে,
সমগ্র জীব জগৎ সেই সৌন্দর্য উপভোগ করে,
তাইতো প্রকৃতিকে সকলে সম্মান করে।
এই প্রকৃতিকে কাছে পাওয়াই ভ্রমনের স্বার্থকতা।
বিশ্বময় প্রকৃতি দাঁড়ায়ে দুয়ার খুলে,
জীব জগৎ তারে ভোগ করে নিজের প্রয়োজনে।
কত জানা অজানা জ্ঞান-পিপাসার কারণে।
প্রকৃতিকে সুন্দর রাখা মানুষের কাজ সকলের জন্য,
তবুও প্রকৃতি আজ নানান ভাবে বিপন্ন।
বিপন্ন প্রকৃতি, দূষিত পরিবেশ, বিষাক্ত জল, বায়ু,
সমগ্র পৃথিবী আজ দূষণে পরিপূর্ণ কমছে আয়ু।
চারিদিকে ভূমি ধ্বস, ভূমিকম্প,প্রকৃতির রোষানল,
এ-সকল প্রকৃতির ইঙ্গিত, মহা প্রলয়ের নির্দেশ অনল,
এই সুন্দর পৃথিবী যদিহয় ধ্বংস প্রাপ্ত,
মানুষই হবে দায়ী হতে হবে সাজাপ্রাপ্ত।
এখনো সময় আছে আমাদের ভাবনার,
ক্ষতিগ্রস্ত হলে নদী জঙ্গল পাহাড়,
কিভাবে কে করবে তার প্রতিকার,
মানুষকেই বুঝে নিতে হবে তার প্রতিকার।
আজ আমাদের দুয়ারে সমন,
কে জানে কোন রোষানল ঝরে কখন?
প্রকৃতিকে সুন্দর রাখতে হবে,এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে ভ্রমণে বেরিয়ে পড়তে হবে,
তবেই আমাদের ভ্রমণ স্বার্থক হবে।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
04/06/2026:: সন্ধ্যা 7:30 মি।
======================
9>|| ভ্রমণ মনের এক টনিক ||
<------আদ্যনাথ---->
ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঔৎসুক্য,
ভ্রমন পিপাসা বাড়িয়ে তোলে।
তবে আমার চিন্তা একটু ভিন্ন ভাবে,
ভ্রমনেই মনের শান্তি ও আনন্দ মেলে।
শুধুই মানসিক অবস্থার উন্নীত নয়,
শারীরিক ও চিন্তা শক্তির বৃদ্ধির সহায়ক হয়।
ভ্রমণ এক প্রাকৃতিক উৎকৃষ্ট টনিক,
মেধা বৃদ্ধি ও শরীর সুস্থ হয়।
ভ্রমণ সকল প্রকার শ্রীবৃদ্ধি করে,
প্রকৃতিকে জনতে চিনতে পারে,
মানুষে মানুষে বন্ধুত্ব ও হৃদ্যতা বাড়ে,
প্রকৃতিকে ভালোবাসতে শেখে।
যে মানুষ ভালোবাসেনা ভ্রমণ,
তার কথা আলোচনা করাও বারণ,
সেতো নিকৃষ্ট কীট পতঙ্গের মতন,
ব্যর্থ তার মনুষ্য জীবন ধারণ।
ভ্রমণে অনিচ্ছা,অনীহার কারণ,
যদি হয় আর্থিক বা শারীরিক কারণ,
তাকে সহায়তা করা প্রয়োজন,
মনের দিকথেকে তাকে করতে হবে সচেতন।
ভ্রমণ প্রকৃত এক যোগসূত্র,
গ্রাম থেকে শহর,
নদী থেকে সাগর,
পাহাড় থেকে জঙ্গল।
প্রকৃতি নিজেই বিশাল বই,
যতই দেখো আর পড় পাবেনা থই।
ভূধর থেকে নীলাম্বর,
সর্ব স্তরেই স্নেহের বন্ধন।
ভ্রমনেই দৃঢ় হয় হৃদয়ের বন্ধন,
ভালোবাসাই একমাত্র শ্রেষ্ঠতার সাধন।
জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি সুস্থ সুন্দর ভ্রমণ,
ভ্রমণে দৃঢ় হয় ভালোবাসার বন্ধন।
ভ্রমন সর্বদা সুন্দরকে খোঁজে,
হোক সে নিরালা তবু তারে খোঁজে,
ভ্রমণ মনের গহনে প্রকৃতিরে খোঁজে,
হোক সে কঠিন দুর্গম তবু তারে খোঁজে।
ভ্রমণ প্রকৃতির মাঝে চিরসত্য সুন্দর,
সকল অতৃপ্ত বাসনার নিশ্চই হয় পূরণ।
তাইতো জ্ঞানী গুণী, মুনিঋষি গণ,
ঘুরে বেড়ান আজীবন সর্বক্ষণ।
ভ্রমণ-ই প্রকৃতিকে চেনার সহজ উপায়,
শুভ কর্ম ও মনকে সুন্দর রাখার উপায়,
ভ্রমনও সাধনার অঙ্গ মুক্তির সহজ উপায়,
প্রকৃতি-সাধক সুন্দরকে খুঁজে পায়।
ভ্রমণ বাহিরে দেখতে প্রকৃতির লীলা,
অন্তর মনে ভ্রমণ, সৃষ্টির লীলা খেলা।
প্রকৃতি খোঁজে ভালোবাসার জন,
তাইতো মানুষ খুশিতে করে ভ্রমণ।
যা আছে সমগ্র বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে,
তা আছে মানুষের অন্তর শরীরে,
খুঁজে পেতে হয় ধ্যানে অথবা ভ্রমণে,
ভ্রমণও নিশ্চিত পরিপূরক আত্মধ্যানে।
গভীর অহঙ্কারে অথবা নির্বুদ্ধিতার কারণে
হামেশাই মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয় হয়,
ভ্রমণে সর্বদা সচেতন থাকতে হয়,
নয়তো সামান্য ভুলেই প্রকৃতি বিরূপ হয়।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
01/04/2025
======================
Comments
Post a Comment