11187>|| আমাদের পবন খুড়ো ||

 11187>|| আমাদের পবন খুড়ো ||

       <--আদ্য নাথ -->

পবন খুড়ো গাইছে বেসুরো,

গানের তানে বাড়ির চাল খানাই উড়ে গেলো।

গানতো নয় ফোঁকলা দাঁতে,

হাওয়াই ছোটে বিশাল বেগে।


তাল গাছটা উপরে গেছে,

পুকুর পাড়ে বট গাছটা হেলে গেছে,

হঠাৎ ভূমি কম্পই হোল বুঝি, 

পুরুরের মাছ গুলো সব মরলো বুঝি।


পবন খুড়ো গাইছে বসে,

একলা বসে ফোঁকলা দাঁতে,

রাজার কাছে নালিশ গেছে,

রাজার পেয়াদা আবার ছুটিতে গেছে।


রাজার হয়েছে যত জ্বালা,

কেউ মানেনা রাজার মানা,

সবাই বলে রাজা আত্ম ভোলা,

তাইতো পবন খুড়োকে মাথায় তোলা।


নইলে কি আর এমন গান গাইতে পারে,

রাজার জলসাতে গাইতে বসে,

গানের গুঁতোয় রাজ বাড়িটাই কেঁপে ওঠে,

এলাকাতে ভূমি কম্প হয় দিনে রাতে।


তবুও পবন খুড়োর গান চলতে থাকে,

কত রাগ রাগিনীর সৃষ্টি হয় তাতে,

রাজা খুশি আনন্দে মেতে,

রাজাও দোলেন বাড়ির সাথে।


তবুও বলেন বেঁচে থাকুক আমার পবন,

ওজে গান গাইতে পারে যখন তখন।

তালে হলো না হয় একটু কাঁচা,

গানটি গাইতে পারে বড়ই খাসা।


এমন গায়ক পাবে কোথায়,

এক মাত্র পবনখুড়োই আছেন এথায়।

নাম দিয়ে আর হবে কি বলো,

পবন খুড়ো মানুষটা খুবই ভালো।


তাইতো পবনের  এতো গুণগান,

ও তো গানই গায় নয়তো পালোয়ান,

ভোজ বাড়িতে না হয় একটু বেশি খায়,

পেটটি ভরে খেয়েই ঘুমোতে যায়।


খুড়োর আছে অনেক দোষের বোঝা,

মানুষ টি যেমন দেখতে যেমন নয় তো সোজা,

গানের অহঙ্কারেই পথ চলেনা সোজা,

গাইতে বসেও খাবারের রকমারি খোঁজা।


কতো গ্রাম গঞ্জ হয়েছে উজাড়,

পবন খুড়োর গানের গুঁতোয় হয়তো,

তবুও পবনখুড়োর কমেনি বাজার দর,

একমন খাবার খাওয়ার পেয়েছে বড়।


এক মন তার খাবার চাই গানের শেষ রাতে,

মনের মতন খাবার না পেলে খেতে বসেই কাঁদে।

এমন গায়ক আছে কিআর এই ভুবনের মাঝে,

সেই  ইতিহাস আছে লেখা গুপ্তধনের মাঝে।

  <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

======================

 



Comments

Popular posts from this blog

11123>|| বিজয়া সম্মিলনী- 2025 ||

1118>|| ভূত চতুর্দশী/ নরক চতুর্দশী ||

1110>|| পুজোর মজা || ----2025 ||