11166>|| ধর্য শক্তি ||+ মনের ঠিকানা।
11166/1>|| ধর্য শক্তি ||
2>|| মনের ঠিকানা ||
===============================
11166/1>|| ধর্য শক্তি ||
<---আদ্যনাথ--->
ধর্যেরসমান গুণ নাই এই সংসারে,
সহ্যে গুণ মানুষকে জীবন দান করে।
ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় অহংকারে,
অহংকার ত্যেগেই ধৈর্যের ক্ষমতা বাড়ে,
ধর্য আর সহ্য এই দুই গুণেই মানুষ শ্রেষ্ঠ,
যে সয় সেই রয়, এই সুন্দর সংসারে,
যে সইতে পারেনা সে রইতে পারেনা
নিজের কারণে।
সহনশীলতা, অহংকারের নাশ করে।
অহংকার সর্বদা ভয়ঙ্কর সর্বগ্রাসী আগুণ,
যে আগুন বিনাশ করে মানুষের সর্বগুণ।
তাই অহংকারের বিনাশে ধৈর্যের গুণ প্রশস্ত হয়।
ধর্য ও সহ্য গুণে জীবন সর্বসুন্দর হয়।
মৌমাছি সব ফুলে বসেনা,অযথা অকারণে
কোনফুলে মধু আছে মৌমাছি ঠিক জানে,
ধর্যশীল মানুষ সবকিছু মনে রাখে না,
ভুলেযাবার গুণেই ধর্যের ক্ষমতা বাড়ে।
ধৈর্য কেবল সময়ের অপেক্ষা নয়,
কঠিন সময়ে আবেগ নিয়ন্ত্রক,
উচিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিশেষ গুন।
ধৈর্য জীবনে সাফল্যের চাবি কাঠি,
লক্ষ্যে পৌঁছবার অদম্য মানসিক শক্তি,
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
======================
2>|| মনের ঠিকানা ||
<---আদ্যনাথ--->
ব্যাথা ভরা মন ব্যাকুল যখন,
মন খোঁজে নিজেকেই তখন।
কিযে ব্যাথার বেদন অন্তরে,
বোঝে সেই, যে আছে অন্তরে।
অযথা ব্যস্ততা যেন ঘিরে আছে,
নিজের ভাবনাগুলিও হারিয়ে গেছে,
দ্বিধাগ্রস্থ মন এক বিকার অবস্থা,
ব্যর্থতার গ্লানিতে নাই বিন্দু মাত্র আস্থা।
নিজেকে খোঁজার নিপীড়নে,
মন উচাটন সর্বক্ষণের তরে।
ভাবনার ছায়া মনকে করে উদাস,
ব্যাথা গুলি যেন মনের নির্যাস।
যতই ভাবি ভাবনা বাড়ায় যাতনা,
ক্রমেই বাড়ে একান্ত মনের বেদনা।
নিজেকে জানতে না পারার যাতনা,
কিছু খুঁজে না পাওয়ার গভীর যাতনা।
বুঝেছি সব জানার শ্রেষ্ঠ জানা,
জগৎ মাঝে নিজেকে জানা।
আপন সত্ত্বাকে খুঁজে পাবার আনন্দ,
বোধহয় জগতের শ্রেষ্ঠতর আনন্দ।
সেই নিরালা আনন্দ খুঁজতে,
নিজ মনেই হবে ডুব দিতে।
সেই মনের ঠিকানা বলেদেবে কে!
তাঁকে খুঁজতেই পেয়েছিলাম ঠাকুরকে।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
04/04/2026::-রাত্রি 12:20:
=======================
Comments
Post a Comment