11163/1>|| জঠোরের জ্বালা +1 ||
11163/1>|| জঠোরের জ্বালা ||
2>|| ঠিকানা ||
======================_____
11163/1>|| জঠোরের জ্বালা ||
<---আদ্যনাথ--->
জঠোরের জ্বালা ভীষন,
পোড়া মনের ভাবনা যখন।
চৈতি দশমীর বিসর্জন
নন্দী ভৃঙ্গির নাচন ক
ঘর ভেঙেছে যার অকাল বৈশাখে,
সদ্য জাত শিশুর ক্রন্দন নিশীথে।
অনাহারে মাতৃ দুগ্ধ ও শুকিয়ে গেছে,
জঠোরের আগুন মৃত্যুই ভাবাচ্ছে।
ওরে মন হারালি কোথায়,
চৈতির বাজনা বাজে হেথায়।
মা অন্নপূর্ণা শিবকে দিচ্ছেন ভিক্ষা,
গঞ্জের ঘাটে বসে অভাগীর প্রতীক্ষা।
চৈতির অন্নকূট যেন ওদের স্বপ্ন,
অন্নকূট যেন আজ অনাহারে কল্প।
ওদের চাওয়া একটু রুটি দুমুঠো ভাত,
অন্নকুটেও দেখি মানুষে কুকুরে আঁতাত।
ওরা ফেলে গেছে ডাস্টবিনে রাত্রের অবশিষ্ট,
ছিল অন্নকূটের ভোজের অবশিষ্ট।
দেখলাম কুকুরে মানুষে ক্ষুধার লড়াই,
কুকুরের পাল আর একলা মায়ের লড়াই।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
======================
2>|| ঠিকানা ||
<----আদ্যনাথ---->
ওরে মন হারালি কোথায়,
পাগল মন খুঁজি হেথায় হোথায়।
যতো খুঁজি ততোই দূরে যায়,
খুঁজেও পাইনা কোন ঠিকানায়।
ভালোবাসা হারিয়ে গেছে যার অন্তরে,
হয়তো সেই বসেছিল নদীর কিনারে,
স্বপ্ন গুলো হারিয়ে গেছে অকালে,
সেবুঝি ফিরবেনা কোন কালে।
শুনেছি হতভাগীর ক্রন্দন,
দেখেছি তার অশ্রুসিক্ত কপোল,
শুনেছি তার বুক ভরা বেদনার কথা,
সে যেন হতাশা ভরা প্রেমের গাথা।
সকলেই দেখেছে হতভাগীর অশ্রু ধারা,
নদীঘাটে সেদিন সন্ধ্যায় এসেছিল যারা,
আশায় বেঁধেছিল ঘর একলা বালুচরে,
সে ঘরও ভেসে গেছে ভরা কোটালে।
বহু খুঁজেও পাইনি অভাগীরে,
যেন হারিয়ে গেছে গহণ অন্ধকারে।
খুঁজে পাওয়াই ছিল বিশেষ স্বার্থকতা,
কিন্তু হায় সব হারিয়ে শুধুই ব্যর্থতা।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
============================
Comments
Post a Comment