11160>|| ভারতের মুনি,ঋষি ||
11160>|| ভারতের মুনি,ঋষি ||
<---আদ্যনাথ---->
ভারতের জ্ঞান বা সত্যের ভান্ডার হোল 'বেদ'
বেদের অর্থই 'জ্ঞান',
জগৎ ও মানব কল্যাণের জ্ঞান,
ভারতের মুনি ঋষিদের একান্ত কর্ম,
বেদের যত্ন ও প্রজ্ঞার প্রকাশ ধর্ম।
প্রাচীনকালের শ্রেষ্ঠ প্রজ্ঞ মুনি-ঋষি,
ছিলেন আত্মিক উপলব্ধিসম্পন্ন তপস্বী।
মুনিরা নীরব ও গভীর ধ্যানে মগ্ন,
ঋষিরা নিরলস তপস্যা আনন্দে মগ্ন।
সমাজ ও মানব কল্যানের তরে ন্যস্ত,
বেদমন্ত্রের উদঘাটন ও প্রকাশে যত্ন।
উদ্দেশ্য সমাজকল্যানে প্রকৃতির সান্নিধ্যে দিব্য জ্ঞানের প্রকাশে যত্ন।
প্রাচীন কালের মুনিরা ছিলেন তপস্বী নীরব, শান্ত।
তাঁরা আত্মউপলব্ধি ও ধ্যানের মাধ্যমে অস্তিত্বের সত্যতা জানত।
সকল প্রকার জ্ঞানমার্গ ও কর্মকান্ড,
সমাজ কল্যাণে বহুবিধ যাগ যজ্ঞ।
দুর্গম পাহাড় জঙ্গলে বসে নিরালায়,
কোনো ধর্মীয় গ্রন্থ বা বিজ্ঞানের সাহায্য নয়,
আত্মউপলব্ধির সহায়, সমাজ ও মানব কল্যানে বর্তী,
প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে জানতেন নিশ্চিত অতি।
ব্রহ্মজ্ঞ ঋষি গণ বেদ মন্ত্রদ্রষ্টাও স্রষ্টা,
তাঁদের মনবল মানব কল্যাণের প্রচেষ্টা,
সমাজের কল্যাণ ও আধ্যাত্মিক উন্নতিই
মুখ্য লক্ষ্য।
তথায় মুনিগণ নিরলস মন্ত্র সিদ্ধ শান্ত প্রজ্ঞ।
ঋষিগণ ছিলেন সমাজের আধ্যাত্মিক দিকনির্দেশক,
তাঁদের প্রজ্ঞা ও জ্ঞান পরবর্তী প্রজন্মের জন্য মূল্যবান পথপ্রদর্শক।
মুনিগণ ধ্যান যোগ তপস্যায় প্রকৃতিতত্ত্বের নির্দেশক।
কশ্যপ ছিলাম ঋষি,
বিশ্বামিত্র ছিলেন রাজা ও ঋষি
ভরদ্বাজ ছিলেন ঋষি, পণ্ডিত, অর্থনীতিবিদ এবং চিকিৎসক।
জ্ঞান, মৌন, গভীর চিন্তা মগ্নতা মুনির লক্ষণ,
যেমন ছিলেন বাল্মীকি, কপিল মুনি, অগস্ত্য মুনি, পরাশর মুনি, আস্তিক মুনি,
জৈন ধর্মে অহিংসা ও আধ্যাত্মিক পবিত্রতার শ্রেষ্ঠ জন মুনি রূপে গণ্য মান্য।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
13/03/2026
========================
Comments
Post a Comment