11157>|| অশান্ত মন ||(1 -++8)
11157>|| অশান্ত মন || (1+8)
1>|| ব্যর্থতা নয় ভুলে গেছি।
2>||অশান্ত মন।
3>|| মানুষ চেনা দায় ||
4>|| শান্তির খোঁজে ||
5>|| সুখের সংসার ||
6>|| সময়ই বলবান ||
7> || জীবনের সত্য ||
8>|| সংসার কার ||
9>|| জীবন যে শুধুই চিন্তা ময়, ||
=====================
1>|| ব্যর্থতা নয় ভুলে গেছি ||
<----আদ্যনাথ---->
ভাবতে ভুলে গেছি, কে আমি,
সত্যি-ই কি আমি আছি,
নাকি জীবনটা এক নাটক,
হয় তো কিছু ঘটনার ধারক, বাহক।
ভাবতে ভুলে গেছি,
কিসের জন্য এই শরীরের যতন।
একদিন হবেই এই শরীরের পতন,
শেষের দিনের পরে কে করবে কার যতন।
তবুও যতদিন বাঁচা,
ততদিন লড়াই করেই বাঁচা।
আত্মরক্ষা প্রাণীমাত্রেরই সহজাত অধিকার,
স্বাধিকারের অভাবে ক্ষুণ্ন হয় মৌলিক অধিকার।
জীবন মানেই বেঁচে থাকার লড়াই,
জীবন মানেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।
জীবন মানেই সমাজের জন্য কিছু করা,
জীবন মানেই মানুষের জন্য কিছু করা
জীবন মানেই কর্মের অগ্রগতিতে এগিয়ে যাওয়া,
জীবন মানে বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া,
জীবন মানেই জন্মান্তর চক্রে আবদ্ধ থেকে কর্মফল ভোগ করা।
জীবন মানেই নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখা।
এমন ভাবনার কোন ভাবনাই মনে বাসাবাঁধেনা,
অনেক ভেবেও ভাবনার কুলকিনারা থাকে না।
ভাবনার দাপটে পরিস্থিতির বেড়া জালে,
দুচোখ মেলে দেখি উলঙ্গ শিশু অজুহাত ছলে।
উলঙ্গতা কি শুধু কাপড়ের আবরণে ঢাকা যায়,
শারীরিক উলঙ্গতা ই কি সঠিক উলঙ্গ হয়।
উলঙ্গতা তো পথে ঘাটে দৈনিক জীবনে সদাই মেলে,
ওরা কি উলঙ্গতা নিয়ে কি খেলা করে, নাকি পরিহাস করে।
কথার উলঙ্গতা,দৃষ্টির উলঙ্গতা, মানষিক উলঙ্গতা,
এসকল তো ব্যস্তজীবনের সহজ বার্তা
কিছু চাওয়া পাওয়ার কে রাখে মনের বার্তা,
তাই বুঝি পলাশ ফুলের মালা গেঁথে প্রেম নিবেদনের বার্তা।
এক দিন যে ছিলো সংসারের হর্তা কর্তা,
আজ ভাটার টানে চড়ায় আটকে হতাশার বার্তা।
নৌকা ছিলো ছোটো দাড়ি মাঝি চারজন,
চিন্তার জাল ছিল দীর্ঘ ছড়িয়ে যোজন।
আশার নোঙরে বাঁধা ছিল সুখ চিন্তার ফেরেশতা,
লন্ড-ভন্ড হোল ক্ষনিকের দখিনা হওয়ার শীতলতা।
অলসতা হয়তো ছিল ক্লান্তি ছিল অধিক,
পুনঃ সফলতার প্রবল তাগিদে ব্যর্থতাই অধিক।
সব হারিয়ে অলীক স্বপে জাল বোনা,
সময়ে ব্যাধি গুলি বাড়ায় বেদনা,
ব্যাধি কঠিন হলেও উপাচার জানেন বৈদ্য,
অহেতুক অনাচড়ে কিছুই হয়না সহ্য।
ব্যর্থতায় দুঃখ নয় সাহস যোগায়, নুতন পথ দেখায়,
দুফোটা চোখের জল ব্যর্থতার প্রকাশ নয়।
নুতন উৎসাহ জুগিয়ে নেওয়াই কর্ম পথ,
হতাশা বাসা বাঁধলে জীবন হারায় পথ।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
03/03/2026:::সন্ধ্যা 06:12মিনিট
=====================
2>|| অশান্ত মন ||
<----আদ্যনাথ---->
হেতু অহেতু নানান চিন্তার বোঝা,
ঠান্ডা মাথাতেও কমেনা চিন্তার বোঝা।
মন, প্রকৃতির ভাব বিন্যাসের অধীন,
অস্থির মনে,শুভ ভাবনা ভাভাই কঠিন।
মনটা কেন জানিনা ব্যথিত,
নানান ভাবনার জালে জর্জরিত,
যত ভাবি, সহজ ভাবে থাকাই উচিত,
ভাবনার জাল যেন বাঁধে তাকে অধিক।
জানি মুখের কথা বন্ধুকের গুলির সমান,
বেড়িয়ে গেলে আর ফেরানো যায় না।
তাই ভেবে চিন্তে কথা বলতে হয়,
নচেৎ নিজদোষে জর্জরিত হতে হয়।
কিন্তু বাস্তবতা::---
জীবন মানুষের পরীক্ষা নেয়।
মুখের কথা ও গুলি চলার ফল সঙ্গে সঙ্গেই বুঝিয়ে দেয়।
অপেক্ষা কেবল সময়ের,
সময় সাক্ষী রূপে সব হিসাব রেখে দেয়।
অশান্ত মনে অনেক ভাবনাই হারিয়ে যায়,
অনেক চিন্তার ফল বুঝি ব্যর্থ হয়ে যায়।
কখনো ভাবনাগুলি ওলট-পালট হয়ে যায়,
তখন মনের ইচ্ছা গুলি মনেই হারিয়ে যায়।
ভাবনার গভীরে মন ছুঁতে চায়,
মনের বেদনা মনের গভীরে লুকায়।
মন চায় উচ্চ স্বরে বেদনা প্রকাশ করতে,
ভাবনা গুলির চাহিদা অপেক্ষায় থাকতে।
সত্য তো প্রকাশ হবেই সময়ের অপেক্ষা,
ভাবনার যতই থাকুক না বাধ্য-বাঁধতা।
ভাবনা চিন্তা একাগ্রতা মনের সাধনা,
বিচলিত মন চিদাকাসে স্থির হয় না।
মন তো ধোপার কাপড়,
যে রঙে রাঙাবে, সেই রং হবে।
মনের কি দোষ ধরবো কোথায়,
মনকে স্থির রাখতে জানতে হয়।
মনের শত্রু সংশয় সন্দেহ অবিশ্বাস,
মনের শক্তি ভালোবাসা ও আত্মবিশ্বাস।
মন তো নরম এক তাল মাটির মতন,
যেমন গড়া তেমনি রূপের পরিবর্তন।
শরীর ক্লান্ত হলে মন অজুহাত খুঁজে পায়,
মন ক্লান্ত হলে মৃত্যু হাতছানি দেয়।
শরীর কুৎসিত হলেও মন সুন্দর হতে পারে
মন কুৎসিত হলে সমস্ত সুন্দরকে লুপ্ত করে।
সুন্দর শান্ত মনে অনেক সাধনা সিদ্ধ হয়,
কুৎসিত মনে শয়তানের জন্ম দেয়।
সুন্দর মন পরিবেশকে সুন্দর করে,
কলুষিত মন পরিবার কে বিভীষিকাময় করে তোলে।
মন নরম হলেও তরবারির থেকে ধারালো,
কিন্তু দুর্বল শরীর মনকেও দুর্বল, অযোগ্য করে তোলে।
সন্দেহপ্রবণ মন সংসারের বোঝাস্বরূপ,
আত্মবিশ্বাস পূর্ন মন সমাজের আশীর্বাদ
স্বরূপ।
ওরে মন, মনকে রাখো সামলে,
নয়তো সব যাবে অন্ধকার অতলে।
দুঃখ সাময়িক হলেও মনেরই বেদনা,
সকল দুঃখকে ভুলে থাকা যায়না।
<-----আদিনাথ রায় চৌধুরী----->
25/02/2026::-07:30 am
=====================
3>|| মানুষ চেনা দায় ||
জীবন যেমনই হোক,
কিছু শেখা হোক বা না হোক,
সমাজে মানুষকে চেনা জরুরী,
কারণ সমাজের সব কিছুকেই চেনা যায় যে যেমন দেখতে সে তেমনি হয়।
আর সকলের স্বভাব চরিত্রও জানা যায়।
কিন্তু একমাত্র মানুষকে চেনা দায়।
কারণ মানুষ যেমন দেখতে হয় তেমন কখনোই হয় না।
জীবনে মানুষ চেনাই বড় কঠিন হয়।
মানুষ মুখে যেমন বলে, তেমন কখনোই সে হয় না।
মানুষ মুখে বলে এক কাজে করে অন্য,
মুখেই বলে মানুষ এক এপরের জন্য।
নিঃস্বার্থ মানুষ দুর্লভ সমাজে,
কর্মঠ যারা তারও ব্যস্ত নিজের কাজে।
তাইতো নিজেকে খুঁজি,
কোথাও যদি কিছু একটু বুঝি।
<------আদ্যনাথ------>
======================
4>|| শান্তির খোঁজে ||
<---আদ্যনাথ---->
জীবনে শান্তি মেলে যথা,
সেখানেই উচিত নত করো মাথা,
হোক ঈশ্বরের মন্দির সেথা
অথবা নিজের ঘর যদি হয় সেথা,
হয় যদি পিতৃ পুরুষ অথবা গুরুর স্থল,
অথবা মা এর চরণ যুগল।
বিশ্ব সংসারে এ-হেন পাঁচ স্থানে,
সর্বদা শান্তি ই শান্তি মেলে।
অতি সত্য এই পাঁচ স্থান,
কখনো হয়না ম্লান।
প্রকৃত শান্তি তো মনের ভিতরে,
শান্তি তো নিজের অন্তরে মেলে।
বাহিরে কোথায় খুঁজবে কোন স্থানে,
নিজের শান্তির স্থান যেন নিজ অন্তরে।
ধ্যান, আসন, যোগ বিদ্যা যাহাই করো,
শান্তির নিমিত্তে নিজের অন্ত্ররেই খোঁজ করো।
ধর্মের চাইতে কর্ম শ্রেষ্ঠ,
কর্ম জদিহয় নিঃস্বার্থ একনিষ্ঠ।
সকল শিক্ষারশ্রেষ্ঠ শিক্ষা শিবজ্ঞানে জীবের সেবা।
সকল ধর্মের শ্রেষ্ঠ ধর্ম দিন দরিদ্রের সেবা।
সকল জ্ঞানের শ্রেষ্ঠ জ্ঞান আত্ম-উপলব্ধি/ নিজেকে জানা।
সকল সত্যের শ্রেষ্ঠ সত্য শাশ্বত সত্য/ পরব্রহ্ম কে জানা।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
13/02/2026:: সকাল 6:15
====================
5>|| সুখের সংসার ||
<----আদ্যনাথ--->
সংসার অর্থেই যাতনাময়,
এক ধারাবাহিক অস্তিত্ব চক্রের যাতনা সয়,
বংশবিস্তারের লোভ ও প্রবণতা,
জীবনের পরে জীবন চলতে থাকে যাতনা।
কে বলে মামুষ স্বাধীন,
সংসার যাতনা চক্রে ঘুরছে জীবন প্রকৃতির অধীন।
মানুষের ইচ্ছায় কিছুই হয়না,
সকলি প্রকৃতির ইচ্ছাও প্রেরণা।
জীবন চক্র জালে বয়ে চলাই সংসার, জীবন,
মানুষ নিজের ইচ্ছায় চলবে কখন!
মানুষ স্বাধীন হয়েও প্রকৃতির দাশ,
জন্মের পর জন্ম, প্রজন্ম চলেছে এই আবর্তনের বিশ্বাস।
জীবন চক্র থেকে মুক্তির পথ অসম্ভব,
জীবন চক্রের অলীক শৃঙ্খলার প্রভাব।
মুক্তির পথ বুঝি প্রকৃতিকে জানা,
যদি সম্ভব হয় নিজেকে জানা চেনা।
নচেৎ এই সংসারে কলুর বলদের মতন,
ঘনিতে ঘুরতে হবে অবিরল,
প্রকৃতির ইচ্ছায় চলছে এমন কল,
মানুষ ভোগে তার নিজের কর্ম ফল।
হায়রে সংসার, কখনো কি সুখের হয়!
সুখের আশায় অন্ধকারেই ছুটতে হয়।
এভাবেই জীবনের পর জীবন বয়ে যায়,
সুখের চিন্তায় জীবনের সব টুকু হারায়।
এ-হেন জীবন যাতনা থেকে মুক্তির উপায়,
নিজেকে জানা ও আধ্যানত্মিক চেতনার উদয়।
কর্মবাসনা ত্যাগের দৃঢ় সংকল্পের শপথ,
এভাবেই খুঁজে নিতেহবে শ্রেষ্ঠ মুক্তির পথ।
তবেই নিশ্চিত স্বার্থক হবে মনুষ্য জীবন,
নচেৎ জীবচক্র চলবে কে জানে কত জীবন!
আত্ম উপলব্ধিই শ্রেষ্ঠ পথ, সার্থক জীবন,
যে পথে গিয়েছেন মুনী,ঋষি,সাধক গণ।
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
09/02/2026
=======================
6>|| সময়ই বলবান ||
<-----আদ্যনাথ---->
সময়ই সত্য, বলবান অতি,
সময়কে উপেক্ষা করলে নাই কোণ গতি।
সময় অবিরল নিজের গতিতেই চলে,
সময়ের নির্বাক গতিই যেন কথা বলে।
কথায় আছে সময় নদীর স্রোতের মতন চলে!
নদীর স্রোত বন্ধ হয় বাঁধের কবলে পড়ে।
সময় কিন্তু থামেনা কোন কারনে,
সময় এগিয়ে চলে নিজের গতি পথে।
কত প্রশ্ন জাগে মনের গভীরে,
প্রশ্নই যেন জীবনকে এগিয়ে নিয়ে চলে।
প্রশ্নের অন্তরে নুতন আশার স্ফুলিঙ্গ
আশা ও সময় উভয় কালের অন্তরঙ্গ।
আজ যা আশা কাল সে দুরাশা হতেই পারে,
আশা আর নিরাশা জীবনের দুই ভিন্ন অনুভূতি
আশাই ভরসা বা আকাঙ্খা।
আর নিরাশাই নৈরাশ্য বা হতাশা।
প্রশ্ন গুলি প্রাসঙ্গিক নাকি অবান্তর কে বলে দেবে !
সময় তো বলবান নিজের গতিতেই চলে।
সময় গতিময় নির্মম নিষ্ঠুর,
ক্ষমা নাকরাই যেন তার দস্তুর।
সময় জানে শুধু এগিয়ে চলা,
সময় জানেনা কোন ছলা-কলা।
ব্রহ্মাণ্ড ও সময়ের গতি চলছে নিরন্তর,
এই গতির অন্তরেই আছে সৃষ্টি,স্থিতি ও ধ্বংসের বীজমন্ত্র ।
সময়ের ক্ষণিক অবহেলা,
ভবিষ্যৎ জীবন ধ্বংসের দিকে এগিয়ে চলা।
সময়ের মূল্য বোঝে যে,
জীবনে নিশ্চিত স্বার্থক হয় সে।
আমিতো বুঝেছি পৌঢ় কালে,
চতুর্দিকের দুয়ার বন্ধের কালে।
জীবনতো ছিল সুন্দর শিশু কালে,
অনাচার যথেচ্ছাচার" যৌবন কালে,
চেতনা গুলি বার বার দেখিয়েছে দিশা,
যৌবন যেন অন্যায় করাই এক নেশা।
চোখে যেন ছিল রঙিন চশমা,
দেখেছিলাম প্রকৃতির নীলিমা,
বুঝিনি প্রকৃতির অগ্নিউদ্গারের জ্বালা,
ধ্বংস ও সৃষ্টি উভয়ই প্রকৃতির খেলা।
সময়ের অবহেলা ও আত্মবিশ্বাসের অপব্যবহার,
জীবন যেন এক মর্যাদাহীন অঙ্গার।
শেষ সময়কালে বোধে বোধ হলে,
জীবন,ফিরেআসার পথ হারিয়ে ফেলে।
এভাবেই জীবন বোধ হয় ধ্বংসের পথে এগিয়ে চলে,
তবুও রয়েজায় যদি অহংকারের রেশ,
সময় বুঝিয়ে দেবে জীবনের আয়ু শেষ।
জীবনে আয়ু ও সময় কোনটিই ফিরে আসে না,
সময়ে করলে কাজ আফসোস থাকে না,
সময়ের ডোরে বাঁধা জীবনের গতি,
সময়ানুবর্তিতাই সফলতার চাবিকাঠি।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
21/08/2025::----
=====================
7> || জীবনের সত্য ||
এখানে সবাই সবাইকে জানে
কিন্তু দুঃখ এটাই নিজেকে কেউ জানেনা।
যদি জানতো নিজেকে
তবে কেউ আর বেইমানি করত না।
এটাই শ্রেষ্ঠ বিড়ম্বনা,
নিজের খোঁজ কেউ রাখে না।
অপরের খোঁজ সবাই করে
নিজের খোঁজ কজন করে!
যে করে সে মহান সর্বজনে মানে,
সকলের নমস্য হয়ে রহেন সমাজে।
তিনি নিত্যানন্দ আর সমাজ বদ্ধ নহে,
মহা শক্তির ধারক রহেন সর্বজ্ঞ রূপে।
সময় কখনো কোথাও চলেযায় না,
সময় নিজের মতই নিজেকে দেখায়,
মানুষ প্রথিবীতে আসে আর চলে যায়।
সময় রয়েগেলেও মানুষকে মরতে হয়।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
=====================
8>|| সংসার কার ||
জীবনে জানা ছিল বিশেষ দরকার,
এই সমগ্র বিশ্বে মাঝে সংসার টি কার?
এই টুকু জানতেই প্রশ্ন করেছি বার বার,
উত্তর পাইনি, দেখেছি হতাশার অন্ধকার।
বুঝেছি 75 বৎসরের জীবনে,
সুখ তো সবার জন্য নয় এখানে,
আমিও পারিনি সুখী করতে নিজেকে,
পারিনি উপেক্ষা করতে জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে।
সংসারে যার নাই কোনই নিশ্চয়তা,
সেই টিই হল প্রকৃত জীবন,
আর যার আছে সম্পুর্ন নিশ্চয়তা,
সে ই তো হল মৃত্যুর সমন।
ভালোবাসা ফুলের মতন হয়,
যত্ন না পেলেই শুকিয়ে যায়।
আর একটু যত্ন পেলেই ,
সকলকে সুন্দর করে তোলে।
মরবার জন্য বিষ, সামান্যই দরকার,
বেঁচে থাকতে বিষ পান করতে হয় বহু বার।
হলাহল পান করে শিব হয়েছেন নীলকন্ঠ,
তবুও পারেননি ধরাকে করতে পাপ মুক্ত।
মানুষ বড়ই বিচিত্র তাঁর ব্যবহারে,
ব্লাড প্রেসারের ভয়ে নুন খাওয়া বন্ধ করে,
সুগারের ভয়ে চিনি খাওয়া বন্ধ করে,
কিন্তু পাপের ভয়ে কেউ বেইমানি বন্ধ করে না।
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->
=======================
9>|| জীবন যে শুধুই চিন্তা ময়, ||
<-----আদ্যনাথ---->
জীবন তো শুধুই চিন্তা ময়,
চিন্তা সাগরের সমান হয়,
সাগরের জলরাশির নাই অন্ত,
মানুষ মাত্রেই চিন্তাও অনন্ত।
চিন্তাকে ছেড়ে পালাবে কোথায়,
চিন্তা বিহীন মানুষ পশু সমান হয়।
পাগলের চিন্তার থাকেনা স্থিরতা,
চিন্তা বর্জনের চেষ্টা ও অসুস্থতা।
বয়স সেতো এক সংখ্যা মাত্র হয়,
বয়সের চিন্তা যৌবনেই মানায়,
বার্ধক্যে বয়সের চিন্তা না করাই উচিত হয়
তবুও সময়ে, চিন্তা জীবনকে ভাবায়।
জীবনে চিন্তা থেকে মুক্তি কোথায়?
চিন্তাই মানুষকে ভাবতে শেখায়,
চিন্তা বিহীন জীবন বুদ্ধি হীনতার লক্ষণ,
চিন্তা থাকবেই জীবন আছে যতক্ষন।
চিন্তা তো করতেই হবে জীবন ভর,
শুভ সুন্দর চিন্তাই মনুষত্ত্বের আঁধার।
মানুষ মাত্রে চিন্তাই বেঁচে থাকার উর্জা,
আনন্দ ময় জীবনের করো পরিচর্যা।
জীবন ক্ষণিকের, যেতোমাকে চায়,
ভালোবাসে,
তাকে সন্মান করো ভালোবাসো আপন ভেবে।
যে তোমাকে মূল্যায়ন করে না তার প্রতিও সহানুভূতিশীল হতে হয়,
আর এভাবেই জীবন কে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়।
মানুষের জীবন সদাই কিছু ত্রুটিপূর্ণ
অভ্যাসের সমষ্টি।
নিজেকে ভালোবাসতে বা ভালো রাখতে,
সমাজ সংসারে সম্পর্কগুলোকে উপভোগ করতে হয়।
আর তাই কারণে অকারণে একে অপরের ভুল ত্রুটি গুলি মেনে নেবার মাধ্যমেই সম্পর্কগুলোকে উপভোগ করতে হয়।
কে জানে,কে বলতে পারে, জীবন কতক্ষণ!
হয় তো এই শ্বাসটিতেই জীবন থামবে
এইক্ষণ!
কে দেখেছে জীবনের আগামী ক্ষণ!
জীবনের চেষ্টা হওয়া উচিত সুন্দর শুভ সর্বক্ষণ।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
===============================
Comments
Post a Comment